দিল্লি নির্বাচনের মাঝেই ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ। ভোট দিলেই এবার ছাড় মিলবে বাজারে! বাজারে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন। ৫ ফেব্রুয়ারি ভোট দিলে, ৬ ফেব্রুয়ারি বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন। শুধু বাজার নয়, ভোটাররা ২০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন হোটেল ও রেস্তোরাঁয়। ভোটারদের ভোটদানের আগ্রহী গড়ে তুলতে চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সহ বেশ কিছু বাণিজ্য সংগঠন এবার এমনই সিদ্ধান্ত নিল।
চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল এবং সভাপতি সুভাষ খান্ডেলওয়াল জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রচুর বিবাহ হয় দিল্লি এনসিআর-এ। এমন পরিস্থিতিতে, ভোটের শতাংশ যাতে না কমে তা নিশ্চিত করার জন্য ১০০ টিরও বেশি বাজার সমিতির মধ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় আগেই। ৫ই ফেব্রুয়ারি যারা ভোট দেবেন, তাদের ৬ই ফেব্রুয়ারি বাজারে বিশেষ অফার এবং ছাড় দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নেহেরু প্লেস মার্কেটের সভাপতি মহেন্দ্র আগরওয়ালের মতে, যারা ভোট দেবেন তাদের কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য জিনিসপত্রের উপর ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে।
ভোট দিয়ে প্রমাণ দেখাতে পারলেই ৬ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা ১৫ শতাংশ ছাড় পাবেন বাজারে। কেউ কেউ দিচ্ছে ৫ শতাংশ ছাড়। চাঁদনী চকের দারিবা জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুণ গুপ্তা বলেন, সোনা ও রূপা কেনার ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। ফেডারেশন অফ লাজপত নগর মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান গোপাল দাওয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক কুলদীপ অরোরা জানান ৫-১০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে। ৩ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানান রোহিণী মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতা দীপক গর্গ।
দিল্লি হোটেল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পবন মিত্তলের মতে, পাহাড়গঞ্জ এবং কারোলবাগের হোটেল এবং গেস্ট হাউসগুলিতে বুকিংয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে। পুরাতন দিল্লি হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দীপক মেহতা বলেন, জামা মসজিদ, চাঁদনী চক, দিল্লি গেট সহ অনেক জায়গায় অবস্থিত হোটেলগুলিতে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। দিল্লির সিটিআই-এর সেলুন এবং বিউটি পার্লার কাউন্সিলও অফার দিচ্ছে।
ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য, নাজাফগড় জোনের কর্মকর্তারা দ্বারকার অ্যারোসিটি, হোটেল, মল এবং বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁয় খাবারের উপর ছাড় ঘোষণা করেছেন। তবে, প্রমাণ হিসেবে মানুষকে তাদের আঙুলে কালির দাগ দেখাতে হবে। এছাড়াও, তাদের আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড দেখাতে হবে, যাতে ঠিকানা যাচাই করা যায়।
