উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার বদ্রীনাথের কাছে মানা গ্রামে তুষারধসে ৫৭ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন। শুক্রবার এই বিপর্যয়ের পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেলেও উদ্ধারকাজ অব্যাহত ছিল। ভারতীয় সেনা, রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালায়। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ৫০ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তবে চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল যে, ৫৫ জন শ্রমিক বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের একটি সাইটে বরফ সরানোর কাজ করছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তরাখণ্ডে লাগাতার তুষারপাত শুরু হয়, যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে বিপত্তি সৃষ্টি করে। এর ফলে সেনার রাস্তা চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শ্রমিকরা যেই রাস্তা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন, সেই রাস্তার কাছেই আচমকা তুষারধস নামে, যার ফলে তারা আটকে পড়েন।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ দ্রুত শুরু হয়। সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং আইটিবিপি যৌথভাবে বরফের নিচে চাপা পড়া শ্রমিকদের খোঁজ শুরু করে। উদ্ধারকারী দলগুলি সারা রাত ধরে কাজ চালিয়ে যায়। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ৫০ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা গেলেও, আরও পাঁচজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
এই বিপর্যয়ের ফলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা এবং রাজ্য সরকার।
