সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
রাজ্যপালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মামলা চায়ে পে চর্চায় শেষ হোক, চায় হাইকোর্ট ।
রাজ্যপাল আর রাজ্য আদালতে লড়াই করছে এটা কারো জন্যই ভালো নয়, মৌখিক পর্যবেক্ষণ বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের। তবে আদালত দুপক্ষকে বসে মিটিয়ে ফেলার কথা বলেছে সেটা আজকের নির্দেশে উল্লেখ করার দাবি জানান মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ। যদিও বিচারপতি জানান, “আজ মৌখিক থাক, নির্দেশ অন্যদিন হবে।”
মমতার আইনজীবী, কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “আমাদের আপত্তি নেই।একটা চায়ে পে চর্চায় সমস্যা নেই।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজ্যপালের করা মামলায় হলফনামা দাখিল করতে চেয়ে সময় চান রাজ্যপালের আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী।
এটাই শেষ সময় দেওয়া হোক দাবি বিরোধী পক্ষের আইনজীবীদের। বিচারপতি জানান, দু সপ্তাহ সময় দেওয়া হল। ৯ এপ্রিল ফের মামলার শুনানি। এটা দ্রুত মিটিয়ে ফেলা হোক, মন্তব্য বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের। মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর টিপ্পনি “রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আরো সহনশীলতা হতে হবে।” যদিও রাজ্যপালের আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আপত্তি জানিয়ে বলেন “আমার মক্কেল( রাজ্যপাল) একদম রাজনৈতিক ব্যক্তি নয়।” কিন্তু থেমে থাকেননি কল্যাণ। “আপনি রাজনৈতিক ব্যক্তি বলেই এই এসাইনমেন্ট পেয়েছেন।” মন্তব্য কল্যানের। তিনি আরো বলেন “আপনি সময় চাইছেন। আপনি কি সিরিয়াস এই ব্যপারটা নিয়ে। রাজ্যপালের কি দরকার মামলা করার?
রাজ্যপাল এমনিই রক্ষাকবচ পান। এই ধরণের রাজ্যপালের কথা ভাবতে পারলে সংবিধান রচয়িতারা এমন আইন বানাতেন না”। মন্তব্য আইনজীবী কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উল্লেখযোগ্য, বরানগর ও ভগবানগোলার নবনির্বাচিত দুই বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রায়াত হোসেন এর শপথ বিতর্ক চাপানউতোর নিয়ে রাজভবন ও সরকারপক্ষ-শাসকদলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার কারণে দুই বিধায়ক সহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই মামলার শুনানিতেই দুপক্ষকে চা-পে চর্চায় বসার পরামর্শ দিয়েছে হাইকোর্ট।
