রানাঘাটে ডিজেল লোকোমোটিভের জন্য আধুনিক ফুয়েলিং পয়েন্ট চালু করল পূর্ব রেল। এতদিন জ্বালানি ভরতে লোকোমোটিভগুলিকে শিয়ালদহ বা বেলিয়াঘাটা লোকো শেড পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিমি পথ পাড়ি দিতে হত, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটাত। নতুন ফুয়েলিং পয়েন্ট চালুর ফলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন উদ্যোগ ট্রেন চলাচলের অপারেশনাল দক্ষতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। দ্রুত জ্বালানি ভরার সুবিধা থাকায় ট্রেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চলাচল করতে পারবে। তাছাড়া, সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও অনেকটাই কমবে।
রেলওয়ে পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য ফুয়েলিং ইনস্টলেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই ফুয়েলিং পয়েন্ট চালুর ফলে ট্রেনগুলিকে আর দূরে যেতে হবে না, স্থানীয়ভাবে রানাঘাটেই জ্বালানি ভরার সুবিধা পাবে। এতে একদিকে সময় বাঁচবে, অন্যদিকে খরচ কমে রেলের আয়ও বাড়বে।
এতদিন রানাঘাটের আশেপাশের ডিজেল লোকোমোটিভগুলিকে জ্বালানি ভরার জন্য বেলিয়াঘাটা লোকো শেড বা শিয়ালদহ যেতে হত, যা বেশ সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ছিল। এই সমস্যা সমাধানে পূর্ব রেল রানাঘাটেই আধুনিক ফুয়েলিং পয়েন্ট চালু করল।
পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেন, “রানাঘাটে নতুন এই ফুয়েলিং ইনস্টলেশনটি ট্রেনের কার্যকর, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব অপারেশন নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি রেলের খরচ কমিয়ে আয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।”
রেল কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে পূর্ব রেলের ডিজেল লোকোমোটিভগুলির পরিষেবা আরও মসৃণ হবে এবং ট্রেনের নির্ধারিত সময় মেনে চলার হার বাড়বে। দ্রুত ও কার্যকর ফুয়েলিং ব্যবস্থা চালু হওয়ায় ট্রেন যাত্রার সুবিধাও বাড়বে।
এই নয়া পরিকাঠামো রানাঘাটকে পূর্ব রেলের এক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হিসেবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
