সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
ডুপ্লিকেট এপিক কার্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ রাজ্যের ৬০০ এপিক কার্ড নম্বর হরিয়ানার ভোটারের সঙ্গে ডুপ্লিকেট হওয়ার দরুন তা বাতিল করল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। অন্যদিকে হরিয়ানার কয়েক হাজার ভোটারের এপিক কার্ড এ রাজ্যের সঙ্গে ডুপ্লিকেট হওয়ায় হরিয়ানাও সেই এপিক কার্ড গুলি বাতিল করল।
এ রাজ্যের সঙ্গে হরিয়ানার ভোটারের এপিক নম্বর ডুপ্লিকেট হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এরপর রয়েছে গুজরাট ও অসম।
এপিক কার্ড সংশোধনের ক্ষমতা কমিশন জেলাস্তরে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের হাতে দেওয়ার পরই এই সংশোধনের কাজ হয়েছে বলেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তর সূত্রে খবর। এনিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা নিয়ে এই বৈঠক ডাকছে নির্বাচন কমিশন। ২৮ শে মার্চ এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
এদিকে ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রথম সরব হয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় ভুয়ো ভোটার কার্ড বা ভুতুড়ে ভোটার ইস্যুতে আন্দোলনের ঝড়ও তোলে তৃণমূল। স্বাভাবিকভাবেই এই রাজ্যে এবং ভিন রাজ্যে এই ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড বাতিল হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিকভাবে অ্যাডভান্টেজ তৃণমূলের। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন কমিশনও এধরনের অভিযোগকে মান্যতা দিতে নারাজ থাকলেও অবশেষে এই রাজনৈতিক লড়াইতে “তৃণমূলের জয়” বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।
