পরিতোষ সাহা:বীরভূম
ডেউচা-পাঁচামী কোল ব্লকে রাজ্য সভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম দুর্নীতি করে ছাব্বিশ জনের চাকরি দিয়েছেন।এমনই তথ্য সহ অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।শনিবার সিউড়িতে বিজেপির দলীয় অফিসে সাংবাদিক সন্মেলন করে এমনই অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু।এমনকি উচ্চ আদালতে মামলা হলে বিজেপি তার আইনি সহযোগিতা করবে বলে পরিষ্কার জানিয়ে গেলেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়িত হবার আগেই,প্রকাশ্যে চলে এল নিয়োগ দুর্নীতি।যা নিয়ে সরব বিজেপি।রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সাংবাদিক সন্মেলন করে এই দুর্নীতির কথা প্রকাশ করেন
যার মূল হোতা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম।শুভেন্দু নথি দেখিয়ে বলেন,“এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ১৬০০ চাকরি হয়েছে।জুনিয়র কনস্টেবল ও গ্রুপ ডি পদে।যার মধ্যে সামিরুল ইসলামের ২৬ জন ও পরে ৫৩ জনের যে চাকরি হয়েছে, তা দুর্নীতিতে ভরা।নিয়োগ ছাড়াও পাট্টা বিলি নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে।”এই নিয়ে আদিবাসী সমাজ উচ্চ আদালতে মামলা করলে বিজেপি তাদের আইনি সহযোগিতা করবে বলেও সাংবাদিক সন্মেলনে বলেন।তিনি বলেন,“মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সামিরুল ইসলাম এই কাজ করছেন।পাশাপাশি বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়,রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পি বি সেলিম ও রাজ্য মিনারেলসের এম ডি পি মোহন গান্ধীও জড়িত বলে জানান।”তিনি হুঁশিয়ারি দেন,“রামনবমীর পর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব এই দুর্নীতি নিয়ে জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও করবে।”
যদিও এই দুর্নীতির কথা অস্বীকার করেন রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম।তিনি বলেন,“শুনলাম রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, কয়লা প্রকল্পে আমার আত্মীয় -স্বজন চাকরি পেয়েছেন।আমি শুভেন্দু বাবুকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করে বলছি ডেউচা -পাঁচামী কয়লা প্রকল্পে যারা জমি দিয়ে ১৬০০ চাকরি পেয়েছেন।জুনিয়র কনস্টেবল ও গ্রুপ ডি পদে।তাদের মধ্যে একজনও আমার আত্মীয় হয়,তাহলে ভাববো আপনি বড় নেতা।”
