পরিতোষ সাহা:বীরভূম
ঈদের খেলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সিউড়ি থানার কেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রাম।চলে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ,ইঁটবৃষ্টি।ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত।আহতদের সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সোমবার গোপালপুর গ্রামে ঈদের খেলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।সেখ জালালউদ্দিন গোষ্ঠীর সাথে সিউড়ি ২ ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের অনুগামী ও কেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রওসানাড়া বিবির গোষ্ঠীর সাথে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ঈদ উপলক্ষ্যে গ্রামে খেলার আয়োজন করা হয়।সেই খেলাকে বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ।চলে ইঁটবৃষ্টি।এই ঘটনায় মহিলা সহ বেশ কয়েকজন আহত হন।তাদের প্রত্যেককে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের সাথে তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি জালালউদ্দিনের সংঘাত দীর্ঘদিনের।ঈদের খেলাকে কেন্দ্র করে সেই সংঘাত,সংঘর্ষে পরিণত হয়।জালালউদ্দিন গোষ্ঠীর সেখ বাদসার অভিযোগ,“পঞ্চায়েত সদস্যা রওসানাড়া বিবি এলাকার উন্নয়নের নাম করে প্রচুর টাকা লুট করছে।যার মদত দাতা ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম।আমরা তার প্রতিবাদ করি।সে কারণেই ঈদের দিনে খেলা নষ্ট করে মারামারি করে।এতে আমাদের সাতজন আহত হয়েছে।”এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন পঞ্চায়েত সদস্যা।পঞ্চায়েত সদস্যা রওসানাড়া বিবি বলেন,“অভিযোগ ভিত্তিহীন।আগে সে গুলি প্রমাণ করুক।আর আজ জালালউদ্দিনের লোকজন আমাদের দেখে বিভিন্ন উক্তি করে।গ্রামে খেলা চলছিল।ইচ্ছা করে তারা বানচাল করে দেয়।”
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে চলে ব্যাপক ইঁটবৃষ্টি।সংঘর্ষের জেরে দুই গোষ্ঠীর মহিলা সহ ১২ জন আহত হয়।তাদের সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
