আগামী অগস্টে ভারতের মাটিতে হকির ময়দানে নামতে চলেছে পাকিস্তান। তাদের লক্ষ্য এশিয়া কাপে শীর্ষস্থান অর্জন। এবারের প্রতিযোগিতার ভেন্যু বিহারের রাজগির, যেখানে তৈরি হয়েছে অত্যাধুনিক নতুন স্টেডিয়াম। এই টুর্নামেন্টে উত্তেজনার পারদ চড়বে ২৯ অগস্ট থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি ম্যাচেই দলগুলো লড়বে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য। পাকিস্তানের পাশাপাশি অন্যান্য শক্তিশালী দলও প্রস্তুত এই মহারণে নামার জন্য। এশিয়ার সেরা হকি প্রতিযোগিতায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যক্ষ করবে দর্শকরা। সোমবার পাকিস্তান হকি ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে, তাদের দল এই প্রতিযোগিতার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
পাকিস্তান হকি দল এবার এশিয়া কাপে আগের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্সের লক্ষ্য নিয়ে নামতে চলেছে। ২০২৩ সালে চেন্নাইয়ে আয়োজিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তারা ছয় দলের মধ্যে পঞ্চম স্থানে শেষ করেছিল। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা করছে দলটি।
ভারতীয় হকি ফেডারেশনের সভাপতি দিলীপ তিরকে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে আশাবাদী। তিনি মনে করেন, ভারত-পাকিস্তান হকি ম্যাচ বরাবরই রোমাঞ্চকর হয়। তার বক্তব্য, “এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াই মানেই টানটান উত্তেজনা। প্রতিবারই দর্শকদের মনে দাগ কাটে এমন ম্যাচ উপহার দেয় তারা, এবারও তেমনটাই আশা করছি।”
এশিয়া কাপ হকিতে অংশ নিতে চলেছে আটটি দল। ইতিমধ্যেই ভারত, পাকিস্তান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চিন ও মালয়েশিয়া টুর্নামেন্টের মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। বাকি দুটি দল বাছাই পর্বের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই হকি দুনিয়ার অন্যতম আকর্ষণ। দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু এশিয়ার নয়, বিশ্ব হকিতেই আলাদা উত্তেজনা তৈরি করে। প্রতিবারের মতো এবারও দুই প্রতিবেশী দেশের লড়াই ভক্তদের টানবে, যা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ হতে পারে।
রাজগিরের নতুন স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তান লড়াইকে ঘিরে বিপুল দর্শক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। উপমহাদেশের ক্রীড়ামোদীরা এই ঐতিহাসিক দ্বৈরথ উপভোগের অপেক্ষায় থাকবেন, যা পুরো এশিয়ার হকি আবহকে আরও উন্মাদনায় ভরিয়ে তুলবে।
