সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
আর দিল্লির মুখাপেক্ষী হয়ে নয় এবার নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ বা সমস্যার নিরসন করবেন রাজ্যের মূখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেজন্য তাঁকে পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া আছে নির্বাচন কমিশনের বিধিতেই বলে জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
ভোটার তালিকা নিয়েই হোক বা নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশাসনিক সমস্যা, স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ বা দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকেই।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে না রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা। তাদেরই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে পদক্ষেপ করতে হবে।
আইনের মধ্যে দিয়েই দ্রুত সমাধানসূত্র খূঁজে বের করতে হবে তাদের। আজ সব রাজ্যের মূখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এতদিন যে রাজনৈতিক দলের যে কোনো দাবি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হতো কিন্তু এবার থেকে সিইওরাই সিদ্ধান্ত নেবেন কোন দাবি আইন বহির্ভূত আর কোনটি নয় এবং সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।
এদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল নতুন সিইওর চেয়ারে বসেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন। আইনের বেড়াজালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে যেকোনো কাজ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। যদিও নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এই নিয়ম প্রথম দিন থেকেই বলবৎ ছিল। যদিও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর কোনও অভিযোগ পেলেই তা সরাসরি পাঠিয়ে দিত দিল্লির নির্বাচন কমিশনে এবং সকলকেই নির্বাচন কমিশনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হত। কিন্তু এবার থেকে এই পরিস্থিতির বদল চাইছে কমিশন। অর্থাৎ যে কোন রাজনৈতিক দল যদি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে আসে তাহলে তাঁদের অভিযোগ শুনে তৎক্ষণাৎ সবকিছু খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। আজ দায়িত্ব নিয়েই সারা দেশের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে যোগ দেন এরজ্যের নতুন সিইও মনোজ আগরওয়াল। যে বৈঠকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কড়া হাতে দফতর নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশ
নির্দেশ দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর।
