“কাজীর বিচার” বলছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
কথায় বলে ‘যিনি রক্ষক, তিনিই ভক্ষক!’ আর এবার উলটপুরাণ। ‘যিনি ভক্ষক, তিনিই রক্ষক!’ কসবাকাণ্ডে যে পুলিশকর্মী চাকরিহারা শিক্ষকদের লাথি মেরেছিলেন তিনিই কসবায় চাকরিহারাদের বিক্ষোভের এফআইআর-এর তদন্তভার পেলেন। এই ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রিটন দাসকে যিনি শিক্ষকদের লাথি মারায় অভিযুক্ত। কসবা ডিআই অফিসে বিক্ষোভরত চাকরিহারা শিক্ষকদের লাথি মারার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সেই অভিযুক্ত পুলিশকর্মী এই রিটন বলে অভিযোগ। আর তাকেই তদন্তভার দিল কলকাতা পুলিশ কর্তৃপক্ষ। ঘটনার দিন মুখ্যসচিবের সামনে বাসে কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা বলেছিলেন এধরনের ঘটনা কাম্য নয়। আর সেই অভিযুক্তকে তদন্তভার দিয়ে কি বার্তা দিতে চাইলেন পুলিশ কমিশনার প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েই।
উল্লেখযোগ্য, কসবায় বন্ধ ডিআই অফিসে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশের লাথি-লাঠি খেতে হয় চাকরিহারা শিক্ষকদের। পাল্টা পুলিশ কমিশনার জানিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের ৬ জন জখম হয়েছিলেন বিক্ষোভের ঘটনায়। কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে মারধোর করার অভিযোগও করেন মনোজ ভার্মা। যদিও পুলিশের লাথি মারার ঘটনাকে অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করলেও অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকেই ঘটনার তদন্তভার দিয়ে তদন্তের মোটিভেশন নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল কলকাতা পুলিশ বলে মনে করছেন চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকারা। বিক্ষোভকারী শিক্ষকদের মতে “একেই বলে কাজীর বিচার।” এটা কি লাথি মারার পুরস্কার? প্রশ্ন বিক্ষুব্ধ চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।
