মুর্শিদাবাদ জেলায় গতকালকের ঘটনার পর এখন সুতির সাজুর মোড় এন এইচ ১২ সচল থাকলেও পার্শ্ববর্তি এলাকার দোকানপাট বন্ধ। সেইরকম ভাবে সাধারন মানুষকে রাস্তায় দেখতেন পাওয়া যাচ্ছেনা একদম। সামসেরগঞ্জে ও একই পরিস্থিতি সকাল থেকে এলাকা থমথমে রয়েছে এবং বি এস এফ টহল দিচ্ছে। বেলা বাড়ার সংগে সংগে বেশ কিছু এলাকায় বি এস এফ এর সংগে আন্দোলকারীর সংঘর্ষ বাধে।সূত্রের খবর দুজন গুলিতে আহত হয়েছে বলে অভিযোগ আহতদের পরিবারের তরফে। দুজন কার গুলিতে আহত হয়েছে সেই বিষয়ে সঠিক জানা যাচ্ছে না এখনও পর্যন্ত।আবারো গতকালকে ঘটনায় সুতি থেকে প্রায় ৭০ জন ও সামসেরগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ জনকে আটক করেছে জঙ্গীপুর থানার পুলিশ ও জেলার পুলিশ।গোলাম মহিউদ্দিন শেখ, ২১ বছর, হাসান সেখ ১২ বছর বয়স। ওয়াকফ নিয়ে এই গণ্ডগোল মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গায় চলছে বলে জানা গেছে। দুটি সরকারী বাসকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা অবরোধ করা হয় আন্দোলনকারীদের তরফে। শুক্রবার সারাদিন অশান্ত থাকে মুর্শিদাবাদ এর নানা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। সুতি, সামসেরগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সংশোধিত ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে এ দিন শুক্রবার সকাল থেকেই সুতি থানার সাজুর মোড় এবং সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান মোড় এলাকায় অবরোধ শুরু করে কয়েক হাজার জনতা। সাজুর মোড় এলাকা লাগোয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে অবরোধ তুলতে গেলে বিকেলের দিকে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ করে প্রথমে পাথর-ইট, পরে বোমা ছুড়তে শুরু করে। ইট-পাথরের ঘায়ে বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী এবং পথচারী জখম হন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
এখানেই পুলিশ পাল্টা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। আন্দোলনকারীদের তরফ থেকেও গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ এসেছে। সূত্রের খবর, গুলিবিদ্ধদের মধ্যে এক জন ১৪ বছরের এক কিশোর। রাতে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। এক পুলিশকর্মীও গুলিতে জখম হয়েছেন বলে খবর। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এই বিষয়ে জেলার পুলিশকর্তারা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্য দিকে, ধুলিয়ান মোড়ে বেসরকারি দু’টি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মোটরবাইকে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের একটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে কালকের পর আজকেও থমথমে গোটা এলাকা। চলছে পুলিশ এর বি এস এফের টহলদারি।
