তোমার CBI, আমার কাঁচকলা করেছে, আর আগামী দিনেও করবে! এই গুরুতর মন্তব্য দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেন রাজনৈতিক মঞ্চে এক নতুন মেলোডি সৃষ্টি করলেন। একদিকে যেমন তিনি তাঁর সিবিআই-ইডি বিরোধী মন্ত্রে মগ্ন, তেমনি অন্যদিকে, তার সিলেবাস যেন ঠিক এমন, “কাঁচকলা: রাজনীতি আর ষড়যন্ত্রের মিশ্রণ।” রাজনৈতিক কৌশলের এই অভিনব মিশ্রণ যখন মঞ্চে সটান নেমে আসে, তখন মনে হয় যেন অভিষেক কিছুটা নতুন ‘রেসিপি’ আবিষ্কার করেছেন প্রতিপক্ষকে ‘কাঁচকলা’ খাওয়ানোর আর কিছুটা ত্রুটিযুক্ত গন্ধের সঙ্গে!
বিরোধীরা যেকোনো মুহূর্তে তার বক্তব্যকে রাজনৈতিক ফ্রি-স্টাইল র্যাপ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। যখন তিনি সিবিআই এবং ইডি’কে ‘কাঁচকলা’ বলেছেন, তখন কি তিনি সত্যি সত্যি তাদের কাছে ওই এক্সক্লুসিভ মশলা চান? মনে হচ্ছে, এটা যেন এক নতুন কৌশল! তুমি আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী মামলা করবে, আমি তোমাকে ‘কাঁচকলা’ দিয়ে পোস্ট মডার্ন প্যাশন দেখাবো! এমন এক থিওরি যেখানে বিরোধী দলগুলো শুধু ‘মাংস’ হয়ে বসে থাকে আর অভিষেক তার ‘পিপঁড়ে’ রাজনীতির অঙ্গভঙ্গি দিয়ে গুছিয়ে পরিশীলিতভাবে খেলে যাচ্ছেন!
আসলেই, অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ তো কথিত সফলতা দিচ্ছে, কিন্তু সেটা কি ‘কাঁচকলা’র সাইড ডিশ ছাড়া কিছুই? আর তিনি যখন বলছেন, কোভিড-১৯ এর সময় ১০ দিনে ১২% পজিটিভিটি রেট কমিয়ে দিয়েছিলাম,তখন মনে হয়, রাজনীতির এই ‘অ্যাপেটাইজার’-এর তালে তালে একজন নির্দিষ্ট খদ্দের ঠিক খুঁজে পাওয়া যাবে!
তবে, কাঁচকলার এই সুরে ‘কাচামাল’ যখন রাজনৈতিক ক্ষোভের সুরে মিশে যায়, তখন অভিষেকের সোনালী ইমেজ হয়ত কিছুটা মলিন হয়ে যায়!
