আর মাত্র কিছুক্ষণ, তারপরেই তারা যোগ্য আর কারা অযোগ্য তা নির্ধারিত হয়ে যাবে আজকেই। এসএসসির পক্ষ থেকে সোমবার বিকেলের পর ওয়েবসাইটে সেই তালিকা আপলোড করা হবে। সূত্রের খবর, বর্তমানে এসএসসি দফায় দফায় আইনজীবীদের থেকে পরামর্শ নিতে শুরু করেছে। তালিকা কিভাবে আপলোড করলে আইনি জটিলতার মধ্যে জড়াতে হবে না সেই পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে আইনজীবীদের থেকে। তবে ওএমআর আপলোড হওয়ার সম্ভাবনা কম।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম নির্দেশে গত ১১ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু চাকরিহারাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে হাজির ছিলেন এসএসসি কর্তাও। সেদিনের বৈঠকে ঠিক করা হয়েছে, ২১ তারিখ তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কথা ছিল ২২ লক্ষ ওএমআর প্রকাশ করবে কমিশন। সেইমতো প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল এসএসসির পক্ষ থেকে। কিন্তু বর্তমানে ওএমআর শিট প্রকাশের সম্ভাবনা খুব কম বলেই জানা যাচ্ছে। বিকাশ ভবন যোগ্য ও অযোগ্যদের জেলাওয়াড়ি তালিকা চায় এসএসসির কাছে।
সেই ভিত্তিতে প্রতিটি জেলার ডিআই বা স্কুল পরিদর্শকদের কাজে লাগায় রাজ্য শিক্ষা দফতর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চাকরিহারাদেরজেলাজুড়ে চিহ্নিত করা হয়। চাকরিহারাদের দাবি, পৃথকভাবে প্রকাশ করতে হবে যোগ্য এবং অযোগ্যদের তালিকা। ব্যাকরণ মেনে সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে না বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। আইনজীবী থেকে পরামর্শ নিয়ে এসএসসি যে তালিকা প্রকাশ করতে চাইছে তাতে যোগ্য এবং অযোগ্যদের একেবারে পৃথকভাবে দেখানো সম্ভব হবে না। ছিল, যোগ্য অযোগ্য তালিকা পৃথক ভাবে প্রকাশ করতে হবে। তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একেবারে ব্যকরণ মেনে সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে না। আইনজীবীদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে এসএসসি যেভাবে তালিকা প্রকাশ করতে চাইছে, তাতে একদম আলাদা ভাবে দুটো পক্ষকে দেখানো সম্ভব হবে না।
আইনজীবীদের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করে লিখিত বিবৃতি পাওয়ার পরই এসএসসি ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করবে। তবে সেই তালিকা প্রকাশ করতে বিকেল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু ওএমআর শিট কেন প্রকাশ করা নাও হতে পারে? আসলে সুপ্রিম কোর্টের শেষবারের শুনানিতে আইনজীবী ফিরদৌস শামীম ওএমআর শিট প্রকাশ করার দাবি জানান। কিন্তু সেদিন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান না সেরকম কোন ইতিবাচক মন্তব্য করেননি আবারও নেতিবাচক মন্তব্যও করেননি। তাই ওএমআর শিট প্রকাশ করা হোক। কিন্তু সেদিন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না কোনও ইতিবাচক মন্তব্য করেননি। নেতিবাচকও করেননি। সেই যুক্তি খাড়া করতে পারে এসএসসি। সেক্ষেত্রে ওএমআর প্রকাশ নাও করতে পারে।
