বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ডোমজুড়ে রাসায়নিক কারখানায়! এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ পুরো এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন প্রাথমিকভাবে উপস্থিত হয় এবং তারাআগুন নেভানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে যে, আগুনের তীব্রতা বেশি থাকার কারণে আরোও বাড়ানো হতে পারে দমকলের ইঞ্জিন সংখ্যা। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা গ3কে যাচ্ছে ওই রাসায়নিক কারখানায়।
উল্লেখ্য, ONGC-র রাসায়নিক কারখানা রয়েছে হাওড়ার ডোমজুড়ের একটি ফাঁকা এলাকায়। সেই কারখানায় মজুত করা ছিল প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক। সেখানেই আগুন লেগেছে। এর জেরে মাঝে মাঝে বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে সমগ্র এলাকা। একদিকে ওই রাসায়নিক কারখায় মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ। তার ওপর দাহ্য পদার্থ হওয়ার কারণে আগুনের তীব্রতা বাড়ছে। তার পাশাপাশি আবার ঝোড়ো হাওয়ায়,দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আগুন। যেহেতু লোকালয়ের বাইরে রয়েছে এই কারখানা, তাই কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন দমকলকর্মীরা। নাহলে এই ঘটনায় আরও বড় কোনও বিপদের সম্ভাবনা থেকেই যেত।
এদিকে ওই কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা ওই ফাঁকা এলাকার মধ্যেই ঘর বেঁধে বসবাস করে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানকার বসবাসরত বাসিন্দাদের। যদিও এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভানোর জন্য আরও বাড়ানো হবে ইঞ্জিন বলে জানা গিয়েছে। তবে ডোমজুড়ের ওই রাসায়নিক কারখানায় কী থেকে আগুন লাগল, সেই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে কিছুই জানা যায়নি।
