দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি
মাধ্যমিকে ৬৮৭ নম্বর পেয়ে নবম স্থান অধিকারী অয়ন নাগের সাফল্যে খুশি এলাকার মানুষ। বাড়ি গোঘাটের রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায়। বাবা কৃপাসিন্ধু নাগ একজন মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় অয়ন।
সারাদিনে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা পড়াশোনা করার ফাঁকে বাড়ির বাগানে গাছপালায় জল দেওয়া এবং ফলের গাছের পরিচর্যা করে অয়ন আনন্দ পায়। তারই ফাঁকে বাবার পরিশ্রম কমানোর জন্য মাঝেমধ্যেই মিষ্টির দোকানের কাজে সাহায্য করত সে। অয়নের বাবা কৃপাসিন্ধু বাবু জানান ছেলে ভীষণ প্রকৃতি ভালবাসে। অবসর সময়টা গাছপালা পরিচর্যার মধ্য দিয়েই কাটায়। আর ছেলে তারই মাঝে ছেলে তাকে বলতো আমরা কত সুন্দর পরিবেশে আছি। এখানে কত বেশি অক্সিজেন পাচ্ছি। ছেলের এই কথায় বাবা নিজেও খুব অবাক হয়ে যেতেন। তবে পড়াশুনোর মাঝে একটা সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ যদি পাওয়া যায় তবে পড়ার প্রতি আগ্রহ অনেকটাই বাড়ে বলে মনে করেন তিনি। কৃপাসিন্ধু বাবুর কথায় আবার সেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের কথা মনে করিয়ে দিল যেখানে প্রকৃতির মাঝে শিক্ষা তার আপন খেয়ালে এগিয়ে যেতে পারে।
