কালীগঞ্জের পর তেহট্ট, নদীয়ায় আরও একটি উপনির্বাচন
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
মারা গেলেন নদীয়ার তেহট্টের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা। মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলেই তার মৃত্যু বলে জানিয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকাল ৮.১৫ মিনিট নাগাদ মারা যান তৃণমূল বিধায়ক।
বুধবার সকালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে তাপস সাহাকে ভর্তি করা হয়েছিল তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু রাতভর চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে প্রবীণ তৃণমূল বিধায়কের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তেহট্টের প্রবীণ বিধায়ক তাপস সাহা। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়ে ছিল এই প্রবীণ বিধায়কের। সিবিআই এবং ইদি তদন্তকারীরা তাপসের তেহট্টের বাড়িতে গিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ছিলেন। একবার নয় একাধিকবার বাড়িতে এবং কলকাতায় ডেকে এনে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই বিতর্কের পর থেকেই দলেও কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন তাপস। যদিও তেহটটো এলাকায় তাপস সাহার রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্টই।
এদিকে তাপস বাবুর মৃত্যুতে নদীয়া জেলায় ফের একটি উপনির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হল। গত পয়লা ফেব্রুয়ারি নদিয়ার কালীগঞ্জের প্রবীণ তৃণমূল বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদ কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এবার একই জেলার তেহট্ট বিধানসভার প্রবীণ তৃণমূল বিধায়কের মৃত্যু। নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রস্তুতি যখন প্রায় শেষ পর্যায়ে ঠিক তখনই তেহট্টের বিধায়কের মৃত্যুতে নদিয়ায় আরও একটি উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হল।
