I নয়া রাজনৈতিক দিগন্তের সূচনা! মোদী সরকারের তরফে সাত সদস্যের সর্বদলীয় কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল গঠনের ঘোষণা ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও জোরদারভাবে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রক।
এই প্রতিনিধি দলে থাকবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাচিত প্রভাবশালী সাংসদ ও কূটনীতিকরা। সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম – কংগ্রেসের শশী থারুর। চারবারের সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি থারুর আন্তর্জাতিক মহলেও সুপরিচিত কণ্ঠ। তাঁকে এক সর্বদলীয় দলে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিগত দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান নিয়ে থারুরের প্রকাশ্য বক্তব্যই তাঁকে এই দায়িত্বের উপযুক্ত করে তুলেছে। যদিও কংগ্রেস সূত্রে দাবি, এর আগে বিজেপি সরকারের তরফে কংগ্রেসের চারজন সাংসদের নাম চাওয়া হলেও থারুরের নাম ছিল না তালিকায়।
প্রতিনিধি দলে বিজেপির রবিশঙ্কর প্রসাদ, ডিএমকের কানিমোঝি, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, জেডিইউর সঞ্জয় ঝা-সহ আরও অনেকেই থাকছেন। সব মিলিয়ে ৪০ জন সাংসদকে নিয়ে গঠিত হবে সাতটি পৃথক প্রতিনিধি দল।
এছাড়াও আলোচনায় উঠে এসেছেন আর এক বাঙালি মুখ – শমীক ভট্টাচার্য। এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনিও থাকতে পারেন এই দলে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও স্পষ্ট বক্তৃতা শিল্প তাঁকে বিশেষ জায়গা এনে দিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা।
এই প্রতিনিধি দলগুলির উদ্দেশ্য – বিশ্বের কাছে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে তুলে ধরা এবং জাতীয় ঐক্যমতের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বিদেশের মাটিতে এবার ভারতের রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত কণ্ঠস্বর শোনা যাবে, আর সেই সুরে মূল সুরকার হয়ে উঠছেন শশী থারুর।
