বিকাশ ভবনের সামনে টানা ১৩ দিন ধরে চলছে চাকরিহারা শিক্ষকদের অবস্থান-বিক্ষোভ। অভিযোগ, বহু যোগ্য প্রার্থী এখনও চাকরি পাননি। তার বিরুদ্ধেই পথে নেমেছেন তাঁরা। যে আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে ওঠে একাধিক বার। এই আবহে বিক্ষোভকারীদের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ নিয়ে প্রথম বার মুখ খুলে তিনি জানালেন, আন্দোলন করা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, কিন্তু তা যেন কখনও হিংসাত্মক না হয়। আন্দোলনের মূল বার্তা তখনই প্রাসঙ্গিক থাকে, যখন তা শান্তিপূর্ণ হয়। গান্ধীর আন্দোলনের পথকে মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষেই হিংসার মাধ্যমে দাবিদাওয়া আদায় করার পথকে সমর্থন করা উচিত নয়।
অভিষেক উদাহরণ দিয়ে বলেন, কী ভাবে তাঁর দল ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে থাকার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে দিল্লিতে কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ করেছিল। তাঁর মতে, প্রতিবাদী মনোভাব থাকলেও হিংসা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে। আন্দোলনকারীদের প্রতি তাঁর আহ্বান, আইনের উপর আস্থা রাখার। বিচারব্যবস্থার উপর ধৈর্য রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার। সরকারি অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট, তা-ও তিনি মনে করিয়ে দেন। অভিষেক টেনে আনেন গান্ধীর কথা, তাঁর দেখানো অহিংসার পথের কথা।
যদিও আন্দোলনকারীদের পালটা প্রশ্ন, শুধুই তাঁদের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে? পুলিশের ভূমিকাও কি খতিয়ে দেখা হবে না? তাঁরা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে একতরফা তাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।
