Sambhal Jama Masjid: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে বিতর্কিত মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রাখল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত। মুঘল সম্রাট বাবরের আমলে হরিহর মন্দির ভেঙে শাহি জামা মসজিদ তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি ওঠে। এই মর্মে গত ১৯ নভেম্বর মামলা দায়ের হয় নিম্ন আদালতে। মসজিদে সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত।
গত ২৪ নভেম্বর নিম্ন আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সরকারি আধিকারিকরা সমীক্ষার কাজে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেন বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। ৪ জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছিল। সংসদ পর্যন্ত গড়ায় সম্ভল বিতর্ক। বিরোধীরা এনিয়ে সংসদে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারের বিরুদ্ধে ঝড় তোলেন।
সমীক্ষা না করার আবেদন করে মসজিদ কমিটি। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যায় তারা। যদিও সোমবার বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়াল মুসলিমপক্ষের সমস্ত দাবি খারিজ করে দিয়ে মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রাখেন। এর আগে গত ১৩ মে সবপক্ষ তথা মসজিদ কমিটি, আইনজীবী হরি শঙ্কর জৈন ও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার মতামত শুনে রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল হাইকোর্ট।
বিচারপতির কাছে আইনজীবী জৈন-সহ আট জনের দাবি ছিল, সম্ভলে মন্দির গুঁড়িয়ে দিয়ে শাহি জামা মসজিদ তৈরি হয়েছে। এদিন উচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার পর আইনজীবী জৈন বলেন, “মুসলিম পক্ষের দাবি খারিজ করে দিয়েছে কোর্ট। একইসঙ্গে সমীক্ষার পক্ষেই সহমত পোষণ করেছে উচ্চ আদালত। সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য লিপিবদ্ধ করা হবে। মুসলিম পক্ষের মামলাকারীরা যদি এরপর সুপ্রিম কোর্টে যেতে চান, তাহলে তারা যেতে পারেন।”
মুসলিম পক্ষের অর্থাৎ মসজিদ কমিটির মামলাকারীদের দাবি ছিল, আগাম নোটিস ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। ইতিমধ্যেই ২ বার সমীক্ষা হয়েছে বলে দাবি তাদের। একবার হিন্দু পক্ষের মামলার দিনেই ও দ্বিতীয়বার ২৪ নভেম্বর তারিখে। যদিও তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে নিম্ন আদালতের রায় অনুযায়ী সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট।
