Golden Temple: পবিত্র স্বর্ণমন্দিরে (Golden Temple) কোনও এয়ার ডিফেন্স গান (Air Defense Gun) মোতায়েন করতে দেওয়া হয়নি। সেনা আধিকারিকের দাবি খারিজ করল কর্তৃপক্ষ (head granthi (priest)। ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরের পরেই ভারতের একাধিক শহরকে লক্ষ্য করে ড্রোন-মিসাইল হামলা করে পাকসেনা। এমনকী অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরকেও টার্গেট করা হয়। ধেয়ে আসে একাধিক মিসাইল। যদিও তা আকাশেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম হয় বাহিনী।
রবিবারই সেই তথ্য সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়। যদিও আজ সোমবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বায়ুসেনা আধিকারিক লেফট্যানেন্ট সুমের ইভান ডিকুনহা (Lieutenant General D’Cunha) দাবি করেন, শিখ সম্প্রদায়ের এই পবিত্র স্বর্ণমন্দিরে (Golden Temple) এয়ার ডিফেন্স গান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়। এমনকী ইতিহাসে প্রথমবার যে মন্দিরের আলো নিভিয়ে রাখা হয়, যাতে পাকিস্তান থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে বাহিনী দেখতে পায়।
খোদ স্বর্ণমন্দির কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত অনুমতি দিয়েছিল বলে দাবি করেন ওই সেনা কর্তা। আর এহেন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর দাবি খারিজ করা হল স্বর্ণমন্দিরের তরফে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই প্রসঙ্গে প্রধানগ্রন্থী (head granthi) জ্ঞানী রাঘবীর সিং (Giani Raghbir Singh) জানিয়েছেন, কোনও সেনা আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর এই বিষয়ে কথা হয়নি। এমনকী এয়ার ডিফেন্স গান মোতায়েন করা নিয়েও কোনও আলোচনা হয়নি। তাঁর কথায়, দীর্ঘ ২২ দিন ধরে মার্কিন সফরে ছিলাম। তবে শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি (Shiromani Gurdwara Parbandhak Committee-(SGPC) সেনার এহেন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত করবে এবং কমিটির কোনও সদস্য দোষী হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন জ্ঞানী রাঘবীর সিং।
অন্যদিকে জ্ঞানী রাঘবীর সিং’য়ের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বে ছিলেন অমরজিত সিং (dditional head granthi Giani Amarjit Singh)। যিনি SGPC এর অতিরিক্ত হেডগ্রন্থী হিসাবে দায়িত্ব সামলান। সরকারিভাবে তিনি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। সেখানে দাবি, জেলা প্রশাসনের গাউডলাইন মেনে ব্ল্যাকআউট করা হয়। একটা নির্দিষ্ট সময়ে বাইরের আলো বন্ধ করা হয়। তবে সেনাবাহিনীকে কোনও অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে ওই বার্তায়।
অমরজিং সিংয়ের কথা অনুযায়ী, সীমান্তে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই স্বর্ণমন্দিরে সমস্ত ধর্মীয় রীতি পালন করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেনার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
