India-Pakistan: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ‘বন্ধু’ পাকিস্তানকে সাবধান করুক তুরস্ক (Turkey)। একই সঙ্গে জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলুন। ঠিক এই ভাষাতেই এদিন তুরস্ককে বার্তা দিল নয়াদিল্লি। ভারত এবং পাকিস্তানের উত্তেজনার মধ্যে তুরস্কের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদকে সমর্থনের অভিযোগ ওঠে। এমনকী সামরিক অস্ত্র দিয়েও সাহায্য করে বলে অভিযোগ। আর এই প্রেক্ষাপটে এদিন তুরস্ককেও বার্তা বিদেশমন্ত্রকের। একই সঙ্গে তুরস্কের সংস্থা সেলেবির অনুমতি কেন বাতিল তা নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিদেশমন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (spokesperson Randhir Jaiswal)। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, নয়া দিল্লি আশা করছে তুরস্ক পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে বলবে। একই সঙ্গে সে দেশের মাটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, তুরস্কের উচিৎ এই ইস্যুতে পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করা।
অন্যদিকে এদিন তুরস্কের সংস্থা সেলেবির বাতিল নিয়েও রণধীর জয়সওয়াল বক্তব্য রাখেন। বলেন, অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ইস্যুতে তুরস্কের দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতের একাধিক বিমানবন্দরে একাধিক কাজের সঙ্গে যুক্ত সেলেবি অ্যাভিয়েশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। উত্তেজনার আবহে পাকিস্তানকে তুরস্ক সমর্থন করার পর এই সংস্থার সঙ্গে যাবতীয় চুক্তি বাতিল করা হয়। যদিও এহেন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এই সংস্থা। নিয়ম না মেনেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
এই সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন। আর এর মধ্যেই পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্ককে কড়া বার্তা দিল ভারত। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানের উপর সে দেশ চাপ সৃষ্টি করে তা নিয়েও এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র স্পষ্ট জানান, সন্ত্রাসবাদ এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। কয়েক বছর আগেই। কুখ্যাত জঙ্গিদের তালিকা দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে ভারত ফেরানোর বিষয়ে আলোচনায় বসতে চাই বলেই দাবি ভারতের।
