সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
রাজ্যে জাল ওষুধ কারবারের সঙ্গে ভিন রাজ্যের যোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই প্রমাণ হাতে এসেছে রাজ্য পুলিশ তথা রাজ্য প্রশাসনের। সেই মোতাবেক সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি জাল ওষুধের কারবার ঠেকাতে এবার বিশেষ এডভাইসারি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে জাল ওষুধ কারবারের যোগ পাওয়া গিয়েছে। সেইমতো জাল ওষুধ আটকাতে বেশ কিছু ভিন রাজ্য প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এর পাশাপাশি জাল ওষুধ আটকাতে মূলত হোলসেলার বা পাইকারি বিক্রেতাদের জন্য এই ধরনের এডভাইজারি প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে মূলত বিভিন্ন ওষুধ নির্মাতা সংস্থার কাছ থেকে ওষুধ কেনার সময় বিভিন্ন রকমের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা যেমন জানানো হয়েছে তেমনি তালিকাভুক্ত ওষুধগুলি কেনার ক্ষেত্রে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত এডভাইজারি অনুযায়ী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে–
১) বেশ কয়েকটি ওষুধ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই তালিকায় ৩০০ টির মতো ওষুধের নাম রয়েছে। তালিকাভুক্ত ওষুধের কিউআর কোড স্ক্যান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
২) তালিকাভুক্ত ৩০০টি ওষুধ কেনার সময় বিক্রেতারা QR কোড স্ক্যান করবেন তার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৩) পাইকারি বিক্রেতা যে ওষুধ কিনবেন তার জন্য নির্দিষ্ট এবং বৈধ সংস্থার চ্যানেল ব্যবহার করবেন
৪) যেখান থেকে ওষুধ কেনা হচ্ছে তাদের লাইসেন্সের বৈধতা দেখে নিতে হবে
৫) ভিন রাজ্যের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার ওষুধ কেনার সময় সতর্ক থাকতে হবে। প্রস্তুতকারী সংস্থার সম্পূর্ণ তথ্য যাচাই করে তবেই কিনতে হবে ওষুধ।
রাজ্য সরকারের প্রকাশিত এই অ্যাডভাইজারই বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে পাইকারি ওষুধ বিক্রেতাদের। অন্যথায় কোন গাফিলতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
