টলিউডের সবচেয়ে আলোচিত, জনপ্রিয় এবং ‘পারফেক্ট কাপল’ হিসেবে পরিচিত যশ দাশগুপ্ত ও নুসরত জাহান-এর সম্পর্ক কি তবে আর আগের মতো নেই? কয়েকদিন ধরেই ফিসফাস চলছিল টলিপাড়ার অন্দরমহলে। এখন সেই গুঞ্জন যেন রীতিমতো বড় আকার নিয়েছে। একের পর এক ‘হিন্ট’, একের পর এক পোস্ট, আর তারপরই প্রশ্ন ভাঙছে কি তবে যশ-নুসরতের রসায়ন?
সম্প্রতি দেখা গেছে, যশ ও নুসরত ছুটিতে গিয়েছেন আলাদা আলাদা। নুসরত গেছেন দার্জিলিং-এ, সঙ্গে তাঁর বাবা-মা, বোন ও পুত্র ঈশান। সোশ্যাল মিডিয়ায় দার্জিলিং থেকে একের পর এক ছবি শেয়ার করে জানিয়েছেন তিনি ছুটি উপভোগ করছেন। অন্যদিকে, যশও ছুটির মুডে। তবে নুসরতের সঙ্গে নেই তাঁর কোনও ছবি, নেই কোনও যুগল মুহূর্ত।
এর মধ্যেই জল্পনা বাড়িয়ে দিল নুসরতের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি। একাধিক ‘জীবনদর্শনমূলক’ পোস্টের মাঝখানে উঁকি দিল **ভগবদ গীতার এক বিখ্যাত শ্লোক “সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। যার বাংলা অর্থ,“সব ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বরের শরণ নাম”। নুসরত লেখেন, “যা কিছু তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেখানে আত্মসমর্পণ করো। সেটাই জীবনে শান্তি ও স্বাধীনতা এনে দেয়।”
একই সঙ্গে নুসরত আরও কিছু পোস্টে মাতৃত্ব, একাকীত্ব, জীবনের ওঠানামা, এসব নিয়ে নিজের ভাবনা ব্যক্ত করেন, যা দেখে একাংশ মনে করছেন, তাঁর মন খুব একটা ভালো নেই। এরই মাঝে আবার আগুনে ঘি ঢেলেছে সোশ্যাল মিডিয়া। যশ ও নুসরত, দু’জনেই একে অপরকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছেন! এই ‘ডিজিটাল দূরত্ব’ নিয়েই জল্পনার আগুন তীব্র হচ্ছে।
এই জল্পনার মাঝেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেন যশ দাশগুপ্ত। তাঁর কথায় , সবটাই গুজব। নুসরতের সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা হয়নি।” আর ইনস্টাগ্রামে নুসরতকে ফলো করতে না পারার প্রসঙ্গে বলেন,“এটা একটা প্রযুক্তিগত সমস্যা। আমার প্রোফাইল থেকে ওকে ফলো করা যাচ্ছে না। এটা জানতে হলে মার্ক জুকারবার্গকে জিজ্ঞেস করতে হবে!” টলিউডের এই জুটির সম্পর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয় সেটা সময় বলবে।
