পাকিস্তানের ভিতর ঢুকে একের পর এক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একেবারে নয়া ভিডিও প্রকাশ করে দাবি সীমান্তরক্ষী বাহিনী তথা বিএসএফের। পগেলগাঁও’য়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বদলা নিতেই অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। আর সেই অভিযানের ফের নয়া একটি ভিডিও সামনে আনল বিএসএফ। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের মধ্যে থাকা একের পর এক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকী সীমান্ত সংলগ্ন পাকিস্তান সেনার ঘাঁটিগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
বিএফএফের দাবি, পাকিস্তানের ২.২ কিলোমিটার ভিতরে এই অপারেশন চালানো হয়। যেখানে তিন জঙ্গিঘাঁটিকে সম্পূর্ণভাবে ধূলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিএসএফের তরফে ইনস্পেকটর জেনারেল শশাঙ্ক আনন্দ জানিয়েছেন, গত ৯ এবং ১০ মে রাতে সীমান্ত সংলগ্ন লস্করের লুনি জঙ্গিঘাঁটি সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে আরএস পুরা সেক্টরের বিপরীতে মাস্তপুর নামে আরও একটি লঞ্চপ্যাডও ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ওই বিএসএফের কর্তার দাবি, এই অভিযানের সময় পাকিস্তানি রেঞ্জারদের দৌড়তে দেখা গিয়েছে।
এই অভিযানের পর পাকিস্তান পাল্টা ভারতে হামলার চেষ্টা করে। আর তা বিএসএফ কীভাবে রুখে দিয়েছে এদিন তাও তুলে ধরা হয়েছে। শশাঙ্ক আনন্দ জানিয়েছেন, গত ১০ মে ভারতে ড্রোন হামলা চালায় পাকিস্তান। কিন্তু বিএসএফ একের পর এক পাকড্রোনকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম হয়। যদিও এই হামলায় বিএসএফের দুই জওয়ান এবং এক সেনা জওয়ান শহিদ হন। কিন্তু এরপরেও সীমান্তে আধিপত্য বজায় ছিল এবং শত্রুর ব্যাপক ক্ষতি করা সম্ভব হয়েছে।
একদিকে পাকসেনাকে জবাব অন্যদিকে অনুপ্রবেশ ঠেকানো বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে। কিন্তু তা সমানভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিএসএফের ডেপুটি ইনস্পেকটর জেনারেল এসএস মান্দ জানিয়েছেন, অপারেশন অভিযান চলাকালীন সীমান্তে পাকিস্তান জঙ্গি অনুপ্রেবেশ ঘটাতে পারে। এই বিষয়ে স্পষ্ট গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল। সেই মতো সিমান্তে অ্যালার্ট ছিল বাহিনী।
ওই বিএসএফ আধিকারিকের কথায়, গত ৮ মে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দলকে সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। আর এরপরেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একেবারে খোলা হাতে জবাব দেওয়া হয়। বলে রাখা প্রয়োজন, পহেলগাঁও হামলার পরেই বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার।
