ভারতীয় বায়ুসেনা ৯ মে রাত থেকে ১০ মে ভোর রাতের মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ব্রাহ্মস মিসাইল দাগে। তার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত তা টের পাননি। এবার মেনে নিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আজারবাইজানে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি জানান, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ১০ মে ফজরের নামাজের পর ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু তার আগেই ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের ওপর ব্রাহ্মস মিসাইল দিয়ে হামলা চালায়।
এই হামলায় পাকিস্তানের রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান এয়ারবেস-সহ মোট ১১টি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জানা গেছে, ভারত প্রায় ১৫টি ব্রহ্মস মিসাইল ছোড়ে, গতি এতটাই বেশি ছিল যে পাকিস্তানের চিনা নির্মিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও সে গুলো আটকাতে পারেনি। এই মিসাইলগুলি ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তিতে তৈরি যাতে একবার লক্ষ্য নির্ধারিত হলে মিসাইল নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেয়।
এই হামলায় রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান এয়ারবেস, যেখানে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সেনা বিমান যেমন সি- ১৩০ হারকিউলিস রাখা থাকে, সেখানে বড় ক্ষতি হয়। উপগ্রহ চিত্রে অন্তত দু’টি সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস হওয়ারও চিহ্ন ধরা পড়েছে। এ ছাড়া রফিকি, মুরিদ, রহিম ইয়ার খান, সুক্কুর, চুনিয়ান, স্কার্দু, ভোলারি, জেকোবাবাদ ও সারগোধা, এই ঘাঁটিগুলিও ক্ষতির মুখে পড়ে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই হামলার কথা স্বীকার করায় আন্তর্জাতিক মহলেও আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ভারতের এই কৌশলগত আগ্রাসন পাকিস্তানের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হামলাকে রুখে দেয়, আর এই পদক্ষেপকে অনেকেই ‘প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। সেনাপ্রধান আসিম মুনির এই ঘটনার সময় পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া জানালেও ভারতের এই পদক্ষেপ ছিল নির্ভুল ও অত্যন্ত সময়োচিত বলে মনে করছে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মহল।
