কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সালমান খুরশিদ ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পক্ষে মত জানালেন। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় এক কূটনৈতিক সফরে তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে এই সাংবিধানিক পরিবর্তনের ফলে।
ভারতের বহুদলীয় সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো সফর করছেন খুরশিদ। ইন্দোনেশিয়ায় স্থানীয় গবেষক ও নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি জানান, কাশ্মীর এতদিন দেশের অন্য অংশের থেকে নিজেকে আলাদা ভাবত, আর সেই মনোভাবের উৎস ছিল ৩৭০ অনুচ্ছেদ।
তিনি জানান, ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হওয়ার পর জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অভিন্ন অংশ হিসেবে আরও মজবুতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নির্বাচিত সরকার গঠন এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা কাশ্মীরের বর্তমান চিত্রকে ইতিবাচক বলে তুলে ধরেন তিনি।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোটার উপস্থিতি ও সরকার গঠনের উল্লেখ করে খুরশিদ জানান, এই পরিবর্তন ফিরিয়ে নেওয়ার কোনও যুক্তি নেই, কারণ কাশ্মীর এখন উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে।
এই সফরে জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝার নেতৃত্বে একটি বহুদলীয় প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুরেও যাবে। সফরের উদ্দেশ্য, ভারতের কৌশলগত উদ্যোগ ‘অপারেশন সিন্দুর’-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা নীতি নিয়ে বিদেশি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা।
কাশ্মীর ইস্যুতে কংগ্রেসের ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও খুরশিদের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর এই অবস্থানকে কাশ্মীর প্রশ্নে দলের ভিতরে মতানৈক্যের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
