নীতীশ কুমারের বিহারে নিষিদ্ধ মদ। কিন্তু ইতিউতি বিষ মদে মৃত্যুর ঘটনাও নতুন নয়। বেআইনি মদের কারবার রুখতে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি ড্রোন কেনে বিহার সরকার। যাতে আকাশপথে নজরদারি চালানো যায়। রোখা যায় বেআইনি মদের কারবার। কিন্তু ড্রোনটি প্রথম বার উড়েই বেপাত্তা হয়ে গিয়েছে। গত ৩ মে পাটনা থেকে সেটি ওড়ার পর সরান জেলার দিয়ারা এলাকায় হারিয়ে যায়।
এর পর থেকে গত কয়েক দিন কেটে গিয়েছে কিন্তু আবগারি বিভাগ এখনও ড্রোনটির সন্ধান পায়নি। রবিবার ২০০ কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি অভিযানে তিনটি ড্রোনের সাহায্যও নেওয়া হয়। কিন্তু এখনও সাফল্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ৬০ লাখ টাকা খরচ করে কেনা সেই বিশেষ ড্রোন বিহার সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাত ঘণ্টা ধরে চলে সার্চ অপারেশন
আবগারি দফতরের শীর্ষ এক আধিকারিক রজনীশ কুমার জানিয়েছেন, নিখোঁজ ড্রোনটির খোঁজ চালানো হচ্ছে। আর এই অভিযানে তিনটি ড্রোন সহ ২০০ জন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এজন্য আলাদা আলাদা ভাবে দল গঠন করা হয়েছে। সেই দল বিহারের ছাপরা সহ একাধিক এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে। ওই আধিকারিকের কথায়, প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে যাওয়া ড্রোনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। সংবাদসংস্থাকে রজনীশ কুমার জানিয়েছেন, ড্রোনটি যে জায়গা থেকে হারিয়ে গিয়েছে, সেখান থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ড্রোন খুঁজে দিলে মিলবে পুরস্কার
ড্রোনের দাম ৬০ লাখ টাকা! আর সেটি কি না নিখোঁজ। জানা যায়, আধুনিক ড্রোনটি একবারে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নজরদারি চালানোর ক্ষমতা রাখে। উচ্চমানের ক্যামেরা লাগানো আছে। একেবারে স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম এই ড্রোন। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ড্রোনটির রিসিভার এবং কন্ট্রোলার আবগারি বিভাগের কাছে রয়েছে। তবে ড্রোনটি কোন জায়গায় ভেঙে পড়েছে স্পষ্ট নয়। তবে তা খুঁজে দিলে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।
রজনীশ কুমার জানিয়েছেন, এই ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে দূর থেকে বেআইনি মদ তৈরি, বিক্রি সহ সমস্ত কার্যকলাপের উপর নজরদারি রাখতেই সেটি কেনা হয়। তবে এখন সেটি খুঁজে পাওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ।
