সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
রাজ্য সরকারের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও দফতর আর ইচ্ছেমতো কোনও সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর করতে পারবে না। এই মর্মে রাজ্যের সমস্ত দপ্তর ও জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিবের দফতর থেকে রাজ্যের সমস্ত দফতরকে এই মর্মে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কোনও সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে চাইলে আগে সেই প্রস্তাব মুখ্যসচিবের দফতরে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তির বিষয়বস্তু কী, তার সম্ভাব্য প্রভাব, আর্থিক দিক এবং বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়সীমা তাতে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে অন্ধকারে রেখে বিশ্বব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহনের একটি প্রকল্পে মউ চুক্তি সই করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর রোষে পড়েন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিষ চক্রবর্তী। নবান্ন তথা রাজ্য মন্ত্রিসভা কে না জানিয়ে কেন পরিবহন দপ্তর স্বতপ্রণোদিতভাবে দ্বিতীয় দফার এই প্রকল্পে মউ চুক্তি সম্পাদিত করেছে তা নিয়ে জবাবদিহি চান মুখ্যমন্ত্রী। গত ২ জুন রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র ভর্ৎসনা করেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রীকে। মুখ্য সচিবকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন এই ব্যাপারে সমস্ত দপ্তর এবং জেলায় জেলায় প্রশাসন গুলিকে সতর্ক করতে হবে। নবান্নের অনুমোদন ব্যতীত এ ধরনের কোন সমঝোতা করতে পারবে না সরকারি দপ্তরগুলি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশক্রমে এবার সমস্ত সরকারি দপ্তর এবং জেলা প্রশাসন গুলোকে এই মর্মে নির্দেশ পাঠালেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।
