গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই ও গোল্ডি ব্রারের মধ্যে বড়সড় ভাঙন। বিষ্ণোই গুজরাটের সাবরমতী জেলে বন্দি। গোল্ডি ব্রার আমেরিকা থেকে ‘গ্যাং’ চালাচ্ছেন। তাঁদের বিচ্ছেদ এবং তার পরের ঘটনাপ্রবাহ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং একাধিক রাজ্যের পুলিশের কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
লরেন্সের ভাই আনমোল বিষ্ণোই। সূত্রের খবর, তিনি যখন জাল নথি দেওয়ার অভিযোগে আমেরিকায় গ্রেফতার হন, তখন আনমোলকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেননি গোল্ডি এবং তাঁর আর এক সঙ্গী সচিন গোদারা। সেই থেকেই বিষ্ণোই ও গোল্ডি ব্রারের মধ্যে সব কিছু ঠিক চলছিল না। সম্প্রতি, দুই গ্যাং আলাদা আলাদা ‘কাজ’ করা শুরু করে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোল্ডি ইদানীং কাজ করছেন, আজারবাইজানের রোহিত গোদারার সঙ্গে আর লরেন্স কানাডার গ্যাংস্টার ননি রানার হাঁট ধরেছেন। ননি লরেন্সের নাম করে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হুমকি ফোন করছেন বলেও খবর। ঘটনাপ্রবাহের খবর আছে কেন্দ্রীয় সরকারি গোয়েন্দাদের কাছেও। তাঁরা চিন্তিত আগামিদিনে দুই গ্যাঙের মধ্যে গোলমাল নিয়ে। কারণ, আজ না হোক কাল, দুই গ্যাং মুখোমুখি হবেই। তাই তার আগেই ‘অ্যাকশন’ করে ফেলা যায় কিনা তা নিয়েও আলোচনা চলছে পুলিশ প্রশাসনের অন্দরে।
সম্প্রতি কানাডায় এক বিমা ব্যবসায়ী হত্যার দায় স্বীকার করে গোল্ডি ও গোদারা। তবে সেখানে বিষ্ণোইয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি, যা বিভেদের আরেকটি বড় ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। গায়ক সিধু মুসেওয়ালা ও মুম্বইয়ের রাজনীতিবিদ বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ড এবং সলমন খানের বিরুদ্ধে হুমকির ঘটনায় বারবার উঠে এসেছে বিষ্ণোইয়ের নাম।
