সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
বিরতির পর বেশ ছন্দেই শুরু হয়েছিল ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশড বিল নিয়ে আলোচনা। আচমকাই ছন্দপতন বিধানসভার অধিবেশনে। ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বিরোধীপক্ষের দিকে বসে থাকা বিধায়করা হাতের কাছে থাকা বুলেটিনের কাগজ নিয়ে হাওয়া খাচ্ছেন! হঠাৎ কি হল? অবাক সব বিধায়করাই। তখনই বিধানসভা অধ্যক্ষের ঘোষণায় সম্বিত ফিরল সকলের। অধ্যক্ষ জানালেন, সব দরজা খুলে দিতে হবে কারণ বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের এসি খারাপ হয়ে গেছে। অগত্যা অধিবেশন কক্ষের চারদিকে সমস্ত দরজা খুলে দেওয়া হল। কার্য তো নজরবিহীন ভাবেই অধিবেশন কক্ষের দরজা খুলেই দীর্ঘক্ষন চলল বিধানসভা অধিবেশনের কাজ। প্রায় দু’ঘন্টা ধরে অধিবেশন কক্ষের দরজা খুলেই আলোচনা বা বিতর্ক সভা চলল ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশমেন্ট বিল নিয়ে।
ঘড়ির সময় ধরলে ঠিক দুপুর ১:১৫ নাগাদ দ্বিতীয় অর্ধের অধিবেশন শুরু হয়। ১:৩৫ মিনিট নাগাদ হঠাৎই অধিবেশন কক্ষের এসি বন্ধ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বে থাকা অফিসারদের খবর দেওয়া হয়। শাসক এবং বিরোধী দল তখন অধিবেশন কক্ষে আলোচনায় ব্যস্ত। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, অধিবেশন কক্ষের সমস্ত দরজা খুলে দেওয়ার জন্য। যদিও অধ্যক্ষ ঘোষণা করেছিলেন”এসিতে বৈদ্যুতিক বিভ্রাট হয়েছে। খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে”, তবে অধিবেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত কক্ষের এসি ঠিক হয়নি। বিধানসভার সূত্রের খবর, পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য আধিকারিকরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিষয়টা দেখছেন। আগামীকালের অধিবেশনে কি হবে? এই প্রশ্ন নিয়েই আজ ঘরমুখী হয়েছেন বিধায়করা।
