রাজা রঘুবংশী হত্যামামলায় নয়া মোড়! তদন্তে নেমে ‘অলকা’ নামে এক রহস্যময়ীর খোঁজ পেলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। আর সেই নাম সামনে আসতেই কার্যত অবাক তারা। কে এই মহিলা? কীভাবে দেশের অন্যতম বড় এই ‘হেভিওয়েট মামলা’য় নাম জড়াল অলকার? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার মূল অভিযুক্ত সোনমের খুবই কাছের বন্ধু অলকা।
রাজার পরিবারের অভিযোগ, খুনের পরিকল্পনা করার পিছনে সোনমের বড় ভূমিকা রয়েছে। এমনকী বন্ধু অলকার ভূমিকাও আছে বলেও অভিযোগ। দুজনের একযোগে রাজাকে খুনের পরিকল্পনা করেছে বলেও দাবি। রাজার বড় ভাই বিপিন রঘুবংশীর দাবি, ‘অলকা সোনমের খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সে এই হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকতে পারে বলে পরিবারের সন্দেহ। পুলিশ যাতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেই দাবিও জানানো হয়েছে।
শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত সোনমের নার্কো টেস্ট যাতে করা হয় সেই আবেদনও জানিয়েছেন বিপিন রঘুবংশী। তাঁর কথায়, অলকার ব্যবহার সন্দেহজনক ছিল। ফলে সোনমের নার্কো টেস্ট করা হলে অলকার ভূমিকা সামনে আসবে বলে দাবি মৃত রাজার ভাইয়ের। যদিও এই বিষয়ে পুলিশের তরফে কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি। তবে সূত্রের খবর, রাজা-হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তৈরি সিট সমস্ত বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
বিশেষ করে গত কয়েকদিনে একাধিক তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। গুরুত্ব দিয়ে সিট সেগুলিকে খতিয়ে দেখছে বলেই খবর। এমনকী ঘটনায় সত্যিই অলকার কোনও ভূমিকা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে মামলার তদন্ত যত গড়াচ্ছে সামনে আসছে একের পর এক টুইস্ট! অলকার আগে সঞ্জয় ভার্মা বলে এক ব্যক্তির নাম পান মেঘালয় পুলিশ। ফোন কল করে ট্র্যাক করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন এই সঞ্জয়ের সঙ্গে দুশোর বেশিবার সোনমের কথা হয়েছে। রাজার সঙ্গে বিয়ের আগে এবং পরেও তা হয়েছে।
এই বিষয়ে আরও গভীরে গিয়ে তদন্ত শুরু করে মেঘালয় পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে সঞ্জয় সোনমের আরও একজন প্রেমিক মনে করলেও সম্প্রতি তার পর্দাফাঁস হয়েছে। জানা যায়, সঞ্জয় আর কেউ নয়, ধৃত রাজই। যিনি সোনমের প্রেমিক। এই বিষয়ে তদন্ত যখন চলছে, সেই সময়ই অলকা সামনে এল।
