আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে গতি। উদ্ধার হওয়া ব্ল্যাক বক্সের যাবতীয় তথ্য ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে নথি সংগ্রহ করে তা জোরকদমে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ব্ল্যাক বক্স থেকে মেলা সিভিআর অর্থাৎ ককপিট ভয়েস রেকর্ডার ও এফডিআর অর্থাৎ ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
আমেরিকায় নয়, এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনাগ্রস্ত AI-171 বিমানের ব্ল্যাক বক্স ভারতেই পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ব্ল্যাক বক্স আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু। গত মঙ্গলবার মন্ত্রী স্পষ্টতই জানান, আহমেদাবাদে ১২ জুনের দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স ভারতেই এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো পরীক্ষা করে দেখছে। আর এবার ব্ল্যাক বক্সের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণে সফল হলেন তদন্তকারীরা। যার জেরে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আসার সম্ভাবনা আরও জোরালো হল।
গত ১২ জুন আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনগামী বিমান টেক অফের পরেই মেঘানিনগর এলাকায় ডাক্তারি পড়ুয়াদের হস্টেলে গিয়ে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষে বিস্ফোরণের জেরে ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মোট ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই মারা যান। বরাতজোরে প্রাণে বাঁচেন বিশ্বাস কুমার রমেশ নামে এক যাত্রী। এমবিবিএস হস্টেলেও প্রাণহানি হয়। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যু ২৭০ জনেরও বেশি।
১৩ জুনই এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমানের ব্ল্যাক বক্স দুর্ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার হয়। উড়ানের সময় বিমানের যাবতীয় নথি রেকর্ড করে ওই ছোট্ট যন্ত্র। বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে যা উপযুক্ত প্রামাণ্য। আহমেদাবাদের দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স থেকে মেমোরি মডিউল ডাউনলোড করে তা সংরক্ষণ করা গিয়েছে। ফলে কোথায় গাফিলতি ছিল, তা জানা যেতে পারে শীঘ্রই।
