পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই। ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া জঙ্গিঘাঁটি ফের নতুন করে তৈরি করতে শুরু করেছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ও সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নতুন জঙ্গিঘাঁটি ও লঞ্চপ্যাড গড়ছে পাক সেনাবাহিনী ও পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তাতে অর্থসাহায্য-সহ যাবতীয় ইন্ধন দিচ্ছে পাকিস্তানের সরকারও।
জঙ্গিদের পুষতে সীমান্তে সবরকম মদত দিচ্ছে শেহবাজ শরিফের সরকার। জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। গোয়েন্দা মহলের দাবি, পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনগুলি আইএসআই-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে গভীর জঙ্গলে উন্নতমানের ছোট ছোট ঘাঁটি গড়ে তুলছে। সীমান্তে ভারতের দিকে নজরদারি বাড়াতে ও আকাশপথে হামলা নিয়ে সতর্ক থাকতেই ফের জঙ্গি ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ করছে পাকিস্তান।
সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, লুনি, পুটওয়াল, তাইপু পোস্ট, জামিলা পোস্ট, উমরানওয়ালি, চাপরার, ফরওয়ার্ড কাহুতা , ছোটা চক ও জাংগলোরা এলাকায় জঙ্গিঘাঁটি গড়ে তুলছে পাকিস্তান। উন্নত প্রযুক্তির বন্দোবস্ত থাকছে ক্যাম্পগুলিতে। স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে শুরু আরও নানান প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টায় পাকিস্তান। স্রেফ তাই নয়, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রায় ১৩টি লঞ্চিং প্যাড তৈরি করছে পাকিস্তান। এদের মধ্যে ৪টি লঞ্চপ্যাড গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। কেল, শারডি, দুধনিয়াল, আথমুকাম, জুরা, লিপা ভ্যালি, পাঁচিবন চামান, তন্ডপানি,নাইয়ালি, জানকোট, চাকোটি, নিকেইল ও ফরওয়ার্ড কাহুতা এলাকায় জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড গড়ে তোলা হয়েছে।
অপারেশন সিঁদুরের পাল্টা জবাব দিতে তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে ইতিমধ্যেই খবর এসে পৌঁছেছে, বাহওয়ালপুরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সেরেছে পাক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির শীর্ষ নেতৃত্ব। জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদিন ও দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের সিনিয়র কমান্ডাররা আইএসআই-এর সঙ্গে বৈঠকে সেরেছে। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে ২৬ জন পর্যটককে খুন করার নেপথ্যে ছিল লস্করের ছায়া সংগঠন এই টিআরএফ।
