বিদেশ সফরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তালিকায় এবার পাঁচটি দেশ। বুধবার ২ জুলাই সফর শুরু। ভারতে ফিরে আসবেন ৯ জুলাই। ঘানা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও নামিবিয়ায় সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সবশেষে ৬ ও ৭ জুলাই ব্রাজিলের রিও দি জেনেইরো শহরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন মোদী। সূত্রের খবর, নিরাপত্তাজনিত সহাবস্থানে জোর দিতে পারেন মোদী। একইসঙ্গে সন্ত্রাস বিরোধী বার্তা ও গ্লোবাল সাউথের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে উদ্যোগ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
গত ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও হামলার পর সীমান্তে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের কথা গোটা বিশ্বকে জানাতে ৩২ দেশে সর্বদলীয় সাতটি প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল মোদী সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ব্রাজিলে ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে একযোগে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা দিতে পারেন মোদী। ইতিমধ্যেই এপ্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের আর্থিক বিষয়ক সচিব দামু রভি জানান, পহেলগাঁওয়ের হামলার নিন্দা জানিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রিকস গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি।
এবারের ব্রিকস সম্মেলনে থাকছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গরহাজির থাকবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। তবে প্রতিবারের মতো এবারেও অংশ নেবে ভারত। ব্রিকস মঞ্চ থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ভারত যে অঙ্গীকারবদ্ধ, সেই বার্তাই দেবেন নরেন্দ্র মোদী। পরের বছর ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করবে ভারত। তার আগে সদস্য দেশগুলির সঙ্গে সহাবস্থান সুদৃঢ় করবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদ নিয়েও সেখানে কারও দ্বিমত নেই বলেও জানান ভারতের বিদেশ সচিব।
গ্লোবাল সাউথের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অটুট রাখতেই পাঁচ দেশে সফরে যাচ্ছেন মোদী। পাঁচটি দেশে আলাদা আলাদা সরকারি স্তরে বৈঠকও সারবেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনা হতে পারে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা থেকে শুরু করে খনিজ সম্পদ আহরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়েও। উল্লেখযোগ্য বিষয়, গত ৩০ বছরে এই প্রথম ঘানায় পা রাখবেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। গত ২৭ বছরে নামিবিয়াতেও পা রাখেননি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই এবার কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে বৈঠক করে আসবেন নরেন্দ্র মোদী
