সীমান্ত একটাই। কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিল তিন দেশ। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহুল পি সিংয়ের। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে সবরকম ভাবে সাহায্য করেছে চিন। সামরিক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে তুরস্কও। শুক্রবার দিল্লিতে FICCI আয়োজিত ‘নিউ এজ মিলিটারি টেকনোলজি’ নামক এক অনুষ্ঠানে এমনটাই বলেন ওই সেনাকর্তা।
ডিজিএমও স্তরে বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ভারত পাকিস্তান। সেনাকর্তার দাবি, ওই বৈঠকের সময় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় গোপনে লাইভ আপডেটের মাধ্যমে পাকিস্তানকে পাচার করেছিল চিন। ভারতীয় সেনার ‘ভেক্টর’ বা গতিবিধি সম্পর্কে রিয়েল টাইম আপডেট ইসলামাবাদকে দেয় বেজিং। পাকিস্তানকে ‘লাইভ ল্যাব’-এর মতো ব্যবহার করেছে চিন। আর এ থেকেই ভারতকে কোণঠাসা করতে দুই দেশের সখ্য স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
সেনাকর্তার আরও দাবি, উত্তেজনা একটা সীমান্তে হলেও ভারতের বিরুদ্ধে ছিল তিন তিনটি দেশ। পাকিস্তানকে সম্মুখে রেখে আড়াল থেকে লড়েছে চিন ও তুরস্ক। পাক সেনাকে সামরিক সরঞ্জাম ও ড্রোন দিয়ে সাহায্য করেছে তারা। পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের ৮১ শতাংশই চিনের। পাকিস্তানকে ঢাল করে নিজের অস্ত্রশস্ত্র পরীক্ষা করছে চিন। তাই পরবর্তী সময় থেকে ভারতকে এনিয়ে আরও সতর্ক থাকতে হবে।
চিনের মতোই পাকিস্তানকে সবরকম সাহায্য করেছে তুরস্কও। সেনাকর্তা বলেন, “পাকিস্তানকে ড্রোন দিয়েছে তুরস্ক। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের সীমান্তবর্তী শহর ও সেনাঘাঁটির উপর ওই ড্রোনগুলি দিয়ে হামলার চেষ্টা করে পাকিস্তান। সেই সমস্ত ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে ভারতীয় সেনা। তবে আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে হবে।” তবে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে আপাতত বিরতি টানলেও অপারেশন সিঁদুর যে এখনও শেষ হয়নি, সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন রাহুল পি সিং
