কাকদ্বীপ কলেজে প্রকাশ্য বিয়ে করে চূড়ান্ত বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা অশোক গায়েন। মঙ্গলবার কলেজ ক্যাম্পাসেই মঞ্চ-প্যান্ডেল, অতিথি আপ্যায়ন সহ একটি পূর্ণাঙ্গ বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। বিয়ের সেই দৃশ্যের ভিডিও ভাইরাল হতেই কলেজ চত্বরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও নিন্দার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রের খবর, অশোক গায়েন বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরার ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত। মন্টুরাম নিজে এই কলেজের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান। ফলে কলেজের মত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মঞ্চে পরিণত করায় উঠেছে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্ন, যেখানে রাজ্যজুড়ে কলেজগুলিতে নিরাপত্তা ও বহিরাগত প্রবেশে হাই কোর্ট কড়া বার্তা দিয়েছে, সেখানে এই ধরনের রাজনৈতিক ছাত্রনেতার বিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে কীভাবে অনুমোদন পেল?
প্রসঙ্গত, কাকদ্বীপ কলেজ আগেও বিতর্কে জড়িয়েছিল। কিছুদিন আগে এখানকার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ সাত কর্মীর বিরুদ্ধে ‘অসাধু উপায়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময়ও বিধায়ক মন্টুরামের নাম উঠে এসেছিল। এবার ফের তাঁর নাম জড়াল ক্যাম্পাসে বিয়ের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে।
তবে এই ঘটনার পরেও এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি অশোক গায়েন বা মন্টুরাম পাখিরা। বিরোধী দলগুলি এই ঘটনাকে চরম অনভিপ্রেত বলে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, এটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্ষমতার প্রদর্শনীস্থলে পরিণত করার উদাহরণ।
