নতুন করে জটিলতা এশিয়া কাপ ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে। আরও একবার না খেলার হুঁশিয়ারি ভারতীয় বোর্ডের। যার জেরে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেল গেল এশিয়া কাপ। উল্লেখ্য, এ বারের প্রতিযোগিতা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হওয়ার কথা। আগামী বছর ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ওরফে এসিসি। কিন্তু ভারত ফের আপত্তি তোলায় সমস্ত পরিকল্পনাই এই মুহূর্তে বিশ বাঁও জলে।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা করা হয়েছিল ভারতের তরফে। সেই প্রেক্ষিতে এসিসি’র পাকিস্তানি চেয়ারম্যান মহসীন নকভি কর্তৃক আয়োজিত হতে চলা এশিয়া কাপ বয়কটের ডাকও দেওয়া হয়। যদিও সম্প্রতি শোনা গিয়েছিল যে, শেষপর্যন্ত এশিয়ার কাপের জন্য দল পাঠাতে সম্মত হয়েছে বিসিসিআই। কিন্তু এ বার নতুন করে আরও একবার বেঁকে বসেছে বোর্ড। জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরে আসন্ন এশিয়া কাপের সূচি নিশ্চিত করতেই ঢাকায় একটি বৈঠক আয়োজনের ঘোষণা করে এশিয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। আর তাতেই আপত্তি ভারতের।
গত এক বছরে আমূল বদলে গিয়েছে ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার দিকটি মাথায় রেখে সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছে বিসিসিআই। আগামী অগাস্টে হওয়ার কথা ছিল এই সফর। তবে শুধু ক্রিকেটারদের না পাঠিয়েই ক্ষান্ত নন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কেষ্ট বিষ্টুরা। সেই সঙ্গে ঢাকায় এশিয়া কাপের বৈঠকে বসতেও নারাজ তাঁরা। এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্ত হয়নি এখনও। ফলে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ কোথায় হবে তা নিশ্চিত নয়। এই সমস্যার সমাধানসূত্র বের করতেই বাংলাদেশের রাজধানীতে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।
আরও পড়ুন
সূত্রের খবর, ভারতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ঢাকায় তারা কোনও বৈঠকে অংশ নিতে যাবে না। এসিসিকে স্থান বদলের প্রস্তাব দিয়েছে বিসিসিআই। যা মানা না হলে না খেলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় বোর্ডের একটি সূত্র এ প্রসঙ্গে বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি তাতে সেই দেশে গিয়ে বৈঠক করা আমাদের উচিত হবে না। সেই কারণে ইতিমধ্যেই অন্যত্র বৈঠকটি আয়োজন অনুরোধ করা হয়েছে এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলকে।” সূত্রটি আরও জানিয়েছেন, “সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এশিয়া কাপ আয়োজনের প্রস্তাব পহেলগাঁওয়ের ঘটনার আগেই দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পুরোটাই বদলে গিয়েছে। এই অবস্থায় সরকার যে নির্দেশ দেবে আমাদের সেই মতই চলতে হবে।”
