মধ্যরাতেই নতুন অতিথি এল লাল-হলুদের ঘরে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দমদম বিমানবন্দরে নামলেন প্যালেস্টাইনের মিডফিল্ডার মহম্মদ রশিদ। আসন্ন মরশুমের আগে তাঁকে ছাড়াও আরও দুই বিদেশি ব্রাজিলীয় মিগুয়েল ফিগুয়েরা এবং আর্জেন্টিনার কেভিন সিবিলেকেও সই করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের আগেই চলে এলেন রশিদ। তবে জানা গিয়েছে, আসন্ন ডুরান্ড কাপে তিন বিদেশিই মাঠে নামবেন লাল-হলুদ জার্সিতে।
প্যালেস্টাইনের জাতীয় দলকে গত বছর এএফসি এশিয়ান কাপের শেষ ষোলোয় তুলতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন রশিদ। তাঁকে স্বাগত জানাতে মধ্যরাতেও বিমানবন্দরে ভিড় জমান সমর্থকেরা। যা দেখে তিনি এতটাই আপ্লুত যে সরাসরি জানিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলার জন্য তাঁর আর তর সইছে না। বলেন, “আমি ক্লাবকে ট্রফি জিততে সাহায্য করতে চাই। সমর্থকদের খুশি করতে চাই। এই পরিবারে যোগ দিতে পেরে আমি আনন্দিত।”
ইন্দোনেশিয়া সুপার লিগের দল পারসিবায়া সুরাবায়া থেকে ইস্টবেঙ্গলে এলেন রশিদ। অন্যদিকে ব্রাজিলীয় মিডফিল্ডার মিগুয়েলের ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুঁজোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অতীতে। বসুন্ধরা কিংসে তিনি ব্রুঁজোর কোচিংয়েই খেলেছিলেন। কলকাতায় পা দেওয়ার আগে তিনি জানিয়েছেন, “অস্কার ব্রুঁজো এবং জেভিয়ার স্যাঞ্চেজের সঙ্গে আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে ভাল লাগছে। ওঁরা খুবই ভাল মানুষ। আমার কেরিয়ারে অনেক সাহায্য করেছেন। আশা করি ক্লাবকে ট্রফি জেতাতে পারব।”
পাশাপাশি আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলেও খুব তাড়াতাড়িই আসতে চলেছেন ভারতে। স্পেনের ক্লাব এসডি পনফেরাডিনা থেকে তাঁকে সই করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। বলেন, “ইস্টবেঙ্গলের মত ঐতিহাসিক ক্লাবে যোগ দিতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। সকল সমর্থকের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত তৈরি করতে চাই।” এ দিকে পছন্দের ফুটবলার মিগুয়েল এবং বাকি দুই বিদেশিকে পেয়ে খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুঁজোও। তাঁর কথায়, “মিগুয়েল কেরিয়ারের সেরা সময়ে রয়েছে। আর রশিদ শক্তিশালী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। অন্যদিকে তরুণ কেভিনের গতি আছে। সেইসঙ্গে পাসিং এবং বল নিয়ন্ত্রণও ভাল।”
