কয়েকমাস বাকি এখনও বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের। একদিকে বাংলা এবং বাঙালি আবেগ অন্যদিকে হিন্দুত্বের জিগির তুলে ময়দানে শাসক এবং বিজেপি। শুক্রবারই বাংলায় সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই সভা থেকে বাংলা থেকে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন। আরজিকর, কসবা সহ একাধিক ইস্যুতে শাসকদলকে আক্রমণ শানিয়েছেন। বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় সভা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সবকিছু ঠিল থাকলে আগামী ২৪ জুলাই সভা হবে জঙ্গলমহলে।
রাজনৈতিকভাবে জঙ্গলমহলে এই সভা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আদিবাসী এলাকা হিসাবে পরিচিত জঙ্গলমহল একটা সময় বিজেপির গড় হিসাবে পরিচিত ছিল। সেই এলাকার মানুষ গত লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির উপরেই আস্থা রেখেছিল। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলের ধাক্কা খায় বিজেপি। আর সেই জঙ্গলমহলে যোগীকে সামনে রেখের সভার আয়োজন বঙ্গ বিজেপির।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
রাজনৈতিকমহলের মতে, হারানো গড় ফিরে পেতে এবং হিন্দু ভোটকে একজোট করাও অন্যতম লক্ষ্য। জঙ্গলমহলের কথায় সভা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও যোগীর সভার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপির তরফে কিছু সরকারিভাবে জানানো হয়নি। বলে রাখা প্রয়োজন, ছাব্বিশের নির্বাচনকে এবারও পাখির চোখ করেছেন মোদী শাহ জুটি। ভোটের কয়েকমাস বাকি থাকতে কেন্দ্রীয় নেতাদের যাতায়াতও বাড়তে শুরু করেছে।
ইতিমধ্যে গত কয়েকমাস আগে উত্তরবঙ্গ থেকে বিধানসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলা থেকে তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের ডাক দেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দুর্গাপুরের সভা থেকেও একই হুঁশিয়ারি শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, বাংলা থেকে তৃণমূল সরকার উৎখাত না হলে উন্নয়ন হবে না। এমনকী বিজেপি সরকার বাংলায় গঠন হলে শিল্প এবং কর্মসংস্থানে জোয়ার আসবে বলেও দাবি করেন মোদী।
এমনকী অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও বার্তা দেন। মোদী স্পষ্ট জানান, সংবিধান অনুযায়ী অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সামনে ২১ জুলাই। তৃণমূলের শহিদ দিবস। সেই মঞ্চ থেকে তৃণমূলনেত্রী কি বার্তা দেন সেদিকেও নজর থাকবে
