যেমন বুনো ওল তেমন বাঘা তেঁতুল। ট্রাম্পের লাগামছাড়া শুল্ক ঘোষণার পর বেজিং আর ওয়াশিংটনের মধ্যে এমন লড়াইই দেখেছে বিশ্ব। ট্রাম্প যত শুল্ক চাপান শি জিনপিংও পাল্লা দিয়ে পাল্টা শুল্ক চাপিয়েছেন আমেরিকার উপর। তবে দীর্ঘদিনের সেই অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব মেটাতে এবার স্টকহোমে বৈঠকে বসেছে দুই দেশ।
গত মে মাসে দু- দেশের মধ্যে একটি অস্থায়ী বাণিজ্য চুক্তি হয়। জুনে একটি খসড়া চুক্তি হয় যা উত্তেজনা কিছুটা কমায়। তবে চিন্তা ছিল ১২ আগস্টের মধ্যে দু-দেশের চুক্তি না হলে উভয় দেশ ১০০%-এরও বেশি পাল্টা শুল্ক আরোপ করতে পারে। বিশ্ব বাণিজ্যে তোলপাড় পড়তে পারে। স্টকহোমে আমেরিকার পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবং চিনের পক্ষে উপ-প্রধানমন্ত্রী হে লিফেং।
সদ্য স্কটল্যান্ড সফরে গিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বড় একটি বাণিজ্য চুক্তি সেরে ফেলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চুক্তিতে ইউরোপ ১৫% শুল্কে রাজি হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ও মার্কিন সামরিক ও জ্বালানি কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে চিনের সঙ্গে এমন সাফল্য এখনই আশা করা যাচ্ছে না। আলোচনায় মূল ফোকাস গভীর অর্থনৈতিক মতবিরোধ। সবটা কাটেনি। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন চিনের সঙ্গে আমরা একটা চুক্তির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। তবে স্টকহোমের আলোচনার অগ্রগতি এমন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বছর শেষে চিন সফর করতে পারেন। দু-দেশের বাণিজ্য আলোচনা আরও তিন মাস বাড়লে অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরে ট্রাম্প এবং শি জিংপিং-এর বৈঠকের সম্ভবনাও বাড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
