ওহাইও-ক্লাস ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (SSBN) – এগুলো ‘বুমার’ নামে পরিচিত।গোপনে নির্ভুল পারমাণবিক হামলা করার ক্ষমতা আছে। সক্রিয় সর্বমোট অন্তত ১৪টি।প্রতিটি সাবমেরিন ২০টি ট্রাইডেন্ট টু ডি ফাইফ মিসাইল বহনে সক্ষম।১৫ বছর পর্যন্ত কার্যক্রম চালাতে পারে।
ফাস্ট অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN)- এই সাবমেরিন ভার্জিনিয়া, সিওয়ল্ফ, ও লস অ্যাঞ্জেলেস নামের তিনটি ক্লাসের হয়।এর প্রধান অস্ত্র হল টমাহক ও হারপুন মিসাইল, MK-48 টর্পেডো। শত্রু জাহাজকে ধ্বংস, নজরদারি, গোপন অভিযান, মাইন যুদ্ধে এর জুড়ি নেই।
ভার্জিনিয়া-ক্লাস – আছে ২৪টি।এই সাবমেরিন নির্মিত নতুন প্রযুক্তিতে। স্পেশাল অপারেশন ফোর্সের জন্য উপযোগী।
সিওয়ল্ফ-ক্লাস – আছে ৩টি। এগুলো টর্পেডো ফোকাসড, ভার্টিকাল লঞ্চ সুবিধা নেই।
লস অ্যাঞ্জেলেস-ক্লাস – আছে ২৪টি। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় তৈরি এবং এগুলো এখনও মার্কিন সাবমেরিন বাহিনীর মূল ভিত্তি।
রাশিয়ার সাবমেরিন বাহিনী –
ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (SSBN) – এই সাবমেরিনের সংখ্যা মোট ১৪টি। এর আছে দুটি প্রধান ক্লাস: বোরেই ও ডেল্টা চার।
বোরেই-ক্লাস – ৮টি,এতে ১৬টি বুলাভা মিসাইল, ৬টি টর্পেডো লঞ্চার, ১০০ জন ক্রু থাকতে পারে।
ডেল্টা IV-ক্লাস – ৬টি সাবমেরিন।এই সাবমেরিনের পেটের ভেতর থাকে ১৬টি সিনেভা মিসাইল।
ফাস্ট অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN) –
ইয়াসেন-ক্লাস সাবমেরিন – (৪টি) যা ছোট, কার্যকর ক্রু নিয়ে পরিচালিত, কালিব্র বা ওনিক্স মিসাইল বহন করতে পারে।
আকুলা-ক্লাস সাবমেরিন – (৫টি)। এটি ‘শার্ক’ নামে পরিচিত। মার্কিন লস অ্যাঞ্জেলেস-ক্লাসের জবাব হিসেবে তৈরি। কালিব্র, ওনিক্স বা গ্রানিট মিসাইল ও টর্পেডো বহনে সক্ষম।
