ফের উত্তাল এসআইআর নিয়ে রাজনীতি। শুক্রবারে নির্বাচন কমিশন বিহারের নতুন সংশোধিত ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করে। তারপরই শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তেজস্বীর অভিযোগ, তাঁর নিজের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। যথাযথ নথিপত্র জমা দিয়ে বিএলওর কাছে ফর্ম ভরেছিলেন তিনি। কিন্তু তালিকায় তাঁর এপিক নম্বরে তাঁর নাম দেখা যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। নিজের মোবাইল দেখিয়ে তিনি বলেন, ভোটার কার্ডে থাকা এপিক নম্বর দিয়ে কমিশনের অ্যাপে নাম খোঁজার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু স্ক্রিনে জানান দেওয়া হচ্ছিল যে, এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তেজস্বীর প্রশ্ন, “ভোটার তালিকাতেই যদি আমার নাম না থাকে, তাহলে নির্বাচনে লড়বো কি করে ?”
তেজস্বী আরো বলেন, ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে খসড়া তালিকা থেকে। অর্থাৎ বিহারের মোট ভোটারের ৮.৫ শতাংশ। কমিশন যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে ভোটারের ঠিকানা, বুথ নাম্বার, এপিক নম্বর কিছুই নেই। ফলে কার নাম বাদ পড়েছে সেটা ধরার কোন উপায় নেই।
যদিও লালুপুত্রের এই দাবি নস্যাৎ করেছে কমিশন। তেজস্বীর নাম রয়েছে এমন একটি নথি প্রকাশ করে কমিশন জানিয়েছে, হয়তো পুরনো এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করেছেন তিনি তাই নাম খুঁজে পাননি। কিন্তু খসড়ায় নির্দিষ্ট জায়গাতেই রয়েছে তেজস্বীর নাম।
কমিশনকে সরাসরি নিশানা করে তেজস্বীর দাবি, শুধু তিনি নন আরজেডির বহু কর্মীর নামও খসড়া তালিকায় নেই। খসড়া তালিকা থেকেই স্পষ্ট নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন তেজস্বী। তিনি বলেন, কমিশন বড় মাত্রায় ভোট কারচুপি করছে। এই বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কমিশনের কৈফিয়ৎ তলব করুক।
