১-২ পিছিয়ে ওভালে খেলতে নেমেছিল ভারত। পাহাড়প্রমাণ চাপ ছিল শুভমান গিলদের ওপর। তবে তার থেকেও বেশি পরিমাণ চাপে ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার হেডস্যার। জানতেন এই ম্যাচ হেরে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আওয়াজ উঠবে। টলমল হতে পারে আসন। তাই ওভালে ছাত্ররা জিতে ইতিহাস গড়তেই আর নিজের অন্তরের উচ্ছ্বাস কিছুতেই চেপে রাখতে পারলেন না তিনি। আর ‘গম্ভীর’ হয়ে থাকতে পারলেন না গৌতম।
সোমবার সকালে সিরাজের ইয়র্কারে অ্যাটকিনসন বোল্ড হতেই ড্রেসিংরুমে আনন্দে যেন পাগলই হয়ে যান গৌতম গম্ভীর। তিনি লাফ দিয়ে উঠে পড়েন বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের কোলে। একেবারে শিশুর মতো উল্লাস করতে থাকেন তিনি। এ সময় তাঁর চোখে জলও ধরা পড়েছে। এর আগে গম্ভীরের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে ভারত। কিন্তু তখনও ভারতীয় কোচকে এতটা উচ্ছ্বসিত হতে দেখা যায়নি।
তা হলে কি গম্ভীর বুঝতে পারছিলেন, কোচ হিসেবে এই ইংল্যান্ড সিরিজই তাঁর জন্য অগ্নিপরীক্ষা? গম্ভীরের কোচিংয়ে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ০-৩ হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ১-৩ ব্যবধানে খুইয়ে আসতে হয় বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি। এই অবস্থায় বিলেত থেকে টেস্ট সিরিজ ড্র করে ফেরা যে গুরু গম্ভীরকে বাড়তি অক্সিজেন দিচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
সে কারণেই নিজের আনন্দ আর ধরে রাখতে পারেননি গৌতম। কিছুটা স্বভাববিরুদ্ধভাবেই মর্নি মর্কেলের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে আচরণ করতে থাকেন একেবারে শিশুর মতো। গম্ভীরের এই মুহূর্তে রীতিমতো ভাইরাল সমাজ মাধ্যমে। তিনি যেন এটাই বার্তা দিতে চাইলেন যে, ঘাড় থেকে বোঝা অনেকটাই নেমে গিয়েছে। যদিও একা গম্ভীর নন। ওভালে ভারত জিততেই সাজঘরে আনন্দে মাতোয়ারা হয় গোটা দলই।
