দুপুরেই কমিশনের নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বিকেলেই রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত নাম তালিকার প্যানেলে আপত্তি জানাল নির্বাচন কমিশন। ২৬ এর নির্বাচন এখনও কয়েক মাস বাকি। এখন থেকেই নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’ শুরু হল বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে অ্যাডিশনাল সিইও, ডেপুটি সিইও এবং জয়েন্ট সিইও, এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য রাজ্যের কাছে তিনজন করে তিনটি নামী প্যানেল চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো রাজ্য সরকার নাম তালিকার প্যানেল পাঠালেও সেই তালিকায় সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। নিজেদের আপত্তির কথা রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, যে নাম তালিকার প্যানেল পাঠানো হয়েছে তাদের কারোরই নির্বাচন পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই।
এই পরিস্থিতিতে কমিশন ফের নতুন করে তালিকা পাঠাতে বলেছে রাজ্যকে। চিঠি দিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার নিরিখে নতুন প্যানেল তৈরি করে দ্রুত পাঠাতে হবে সংশোধিত নামের তালিকা। আগামী বছরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই প্রেক্ষিতেই এই তিন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ অবিলম্বে প্রয়োজন। সেই কারণেই নামের প্যানেল চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকারের দেওয়া নামের প্যানেলে নির্বাচন কমিশন আপত্তি জানানোয় ফের নতুন করে প্যানেল তৈরির চিন্তাভাবনা করতে হবে রাজ্য প্রশাসন ও কর্মিবর্গ সংস্কার দপ্তরকে। এই মুহূর্তে রাজ্যের সিভিল সার্ভিস আধিকারিকদের শাস্তির নিদান দিয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারি আধিকারিক স্তরে যে আলোড়ন তৈরি করেছে, তার ভিত্তিতে ফের নতুন করে প্যানেল তৈরি করতে জটিলতা বাড়তে পারে বলে মনে করছে নবান্নের একাংশ।
Leave a comment
Leave a comment
