দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক জটিলতার সমাধানে বারবার এগিয়ে আসতে হয়েছে বিচার বিভাগকে। যে কোনও জটিলতায় এখনও বহু মানুষের শেষ আশ্রয় হয়ে ওঠে আদালত। বিচার ব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের বিশ্বাসকে জীবন্ত রাখতেই আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে তার কর্মজীবনের বিদায় অনুষ্ঠানে জানালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া। শুক্রবার তাঁর বিদায় অনুষ্ঠানে বিচারপতি ধুলিয়া তাঁর প্রায় তিন বছরের সুপ্রিম কোর্ট জীবনকে স্মরণ করে বলেন, “একজন বিচারককে ‘আইনের বিচারক’ হওয়ার থেকেও ন্যায়বিচারের জন্য তাকে ‘বাস্তবতার বিচারক’ হতে হবে।” তিনি জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন গ্রামবাসীও আশা করেন যে তিনি উচ্চ আদালতে গিয়ে সঠিক বিচার পাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই বিচারপতি ধুলিয়ার বিচার কাজের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, তাঁর যুক্তি শুধুমাত্র বিচার নয়, পরামর্শও দিয়েছে।
অন্যদিকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও মুক্ত সংবাদ মাধ্যমই সরকারের কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভয় ওকা। শুক্রবার মুম্বই প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি একজন সাধারণ নাগরিকের কথা বলার স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার ইত্যাদির গুরুত্বের কথা জানান। তাঁর মতে, কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে কারও কোনও বক্তব্য দেশদ্রোহিতা হয়ে যায় না, যতক্ষণ না তা আইনি সংজ্ঞার আওতায় আসে। একইভাবে তিনি জানান, সরকারের অপছন্দের ব্যক্তি হওয়াও কোনও মামলার ভিত্তি হতে পারে না। জনমত গঠনে সংবাদ মাধ্যমের দায়িত্বের কথাও এদিন তুলে ধরেন তিনি।
