ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এই কারচুপির জন্য নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। যার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন রাহুলকে পাল্টা জানায়, তিনি যে অভিযোগ করছেন সেটা যেন হলফনামার আকারে জমা দেন। কমিশনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে
রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানালেন, তিনি কোনও হলফনামা দেবেন না।
রাহুল স্পষ্ট বলেন, ভোট চুরি নিয়ে তিনি যা বলছেন সেটা নির্বাচন কমিশনের ডেটা থেকেই বলছেন। তিনি এক ব্যক্তি এক ভোটের জন্য লড়াই করছেন। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছেন।
সোমবার সকালে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবির। রাহুল গান্ধী-সহ বেশ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে আটক করে দিল্লি পুলিস। পুলিসের হাত থেকে ছাড়া পেয়েই রাহুল এই মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশন হলফনামা দাখিল করার যে কথা বলেছে তার প্রেক্ষিতে রাহুল পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “আমি কেন হলফনামা জমা দেব? আমি তো কোনও তথ্য দিইনি। আমি যা বলছি সবই তো কমিশনের দেওয়া তথ্য থেকে। আমি যা বলছি সেটা তো কমিশনের ওয়েবসাইট আছে। সেখান থেকেই তারা দেখে নিক। আসলে কমিশন মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে।”
কংগ্রেস নেতার আরও অভিযোগ, ভোটচুরি শুধু বেঙ্গালুরুতেই হয়েছে তা নয়। দেশের একাধিক লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটচুরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রাণপণ চেষ্টা করছে কিছু চাপা দেওয়ার। কিন্তু আমি কমিশনকে জানাতে চাই যে, একদিন সব সত্যই সামনে আসবে।
রাহুল অভিযোগ করেন, গণতন্ত্র প্রহসনে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৩০০ জন সাংসদ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চাইছে। কিন্তু তাদের সেই অনুমতি দেওয়া হল না। তাদের পথ আটকানো হচ্ছে।
রাহুলের প্রশ্ন, কমিশন কি ভয় পাচ্ছে যে প্রকৃত সত্যটা বাইরে চলে আসবে? রাহুল আরও বলেন, এখন আর এই লড়াইটা শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়। এই লড়াই হল সংবিধানে প্রদত্ত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই। এই লড়াই হল এক ব্যক্তি এক ভোট নিশ্চিত করার লড়াই। আমরা কর্নাটকে স্পষ্ট দেখিয়েছি যে, এক ব্যক্তি একাধিক জায়গায় ভোট দিয়েছেন। গোটা বিরোধী শিবির এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এখন কমিশনের পক্ষে কোনও কিছু লুকিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।
