রাজ্যে ২০০২ সালকে ভিত্তি বছর ধরে এসআইআর প্রক্রিয়া চালু করতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের পরেই পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশে এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে কমিশন। এই পরিস্থিতিতে অধিকাংশ জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগণার কুলপি বিধানসভার ক্ষেত্রে ২০০২ বিধানসভার মূল ভোটার তালিকার হদিশ মেলেনি। একই সঙ্গে উত্তর 24 পরগনার কিছু এলাকা এবং আরো কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে কিছু এলাকায় ২০০২ সালের মূল ভোটার তালিকার নথি মেলেনি। সেক্ষেত্রে কুলপি সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০৩ সালের খসড়া ভোটার তালিকা এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য বিবেচনা করতে চায়। রাজ্য সিইও দপ্তর। আর এজন্য প্রয়োজন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন। প্রয়োজনীয় অনুমোদন চেয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিচ্ছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা বেশ কিছু এলাকায় ২০০২ সালের মূল ভোটার তালিকা নথি মিলছে না, অথবা যে নথি মিলেছে তা অস্পষ্ট। সেখান থেকে ভোটারদের নাম বাবার নাম ভোটকেন্দ্র এবং ভোটার কার্ড নম্বর উদ্ধার করতে গিয়ে সমস্যা পড়তে হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভার গোটা ভোটার তালিকাটাই পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় বিকল্প উপায় ছাড়া রিভিশনের কাজ করা অসম্ভব। সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে পরবর্তী বছরের সংশোধিত খসড়া ভোটার তালিকা অর্থাৎ ২৩ সালের খসড়া ভোটার তালিকা বিচ্য হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। অবশ্য এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন নিতে হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের থেকে। যেহেতু রাজ্যের বাকি অংশে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা মিলেছে তাই কুলপি বিধানসভা কেন্দ্র সহ বিক্ষিপ্তভাবে যে যে এলাকায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকা মেলেনি বা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি সেই এলাকাগুলিতে ২০০৩ সালের খসড়া ভোটার তালিকা কে মান্যতা দেওয়া হোক এই আবেদন জানিয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশন কে চিঠি দিচ্ছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
