এশিয়া কাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের মুখোমুখি হতেই হচ্ছে ভারতকে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর হবে এই মহারণ। তার আগে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে নতুন করে উঠেছে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বয়কটের ডাক। ভারতের একাধিক প্রাক্তন ক্রিকেটার এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ বায়কটের দাবি জানিয়েছেন। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে বিরোধীরাও। বিরোধিতার এই তালিকায় এবার যুক্ত হল হরভজন সিংয়ের নামও।
পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একরকম তলানিতে। এমনকি ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর পর্যন্ত জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলাও উচিত নয় ভারতের। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডস প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুটি ম্যাচ থেকেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন শিখর ধাওয়ান, হরভজন সিংরা। টার্বুনেটর মনে করেন, আসন্ন এশিয়া কাপেও একই পন্থা অবলম্বন করা উচিত বিসিসিআইয়ের।
সম্প্রতি এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা নিয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন হরভজন। সেখানে তিনি সাফ বলেন, ” পাক মদতে সন্ত্রাসবাদীদের বাড়বাড়ন্ত রুখতে যখন একের পর এক ভারতীয় সৈনিক প্রাণ দিচ্ছেন, সেখানে কখনওই দু’দেশের ক্রিকেট ম্যাচ হতে পারে না। তাঁর প্রশ্ন, “কোনটা দরকার আর কোনটা নয় সেটা ওঁদের বোঝা উচিত। বিষয়টা এতটাই সহজ। আমাদের দেশের সৈনিকরা সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন । পরিবারের লোকেরা তাঁদের দিনের পর দিন দেখতে পান না। নিজেদের জীবন দিতেও পিছপা হন না সেনারা। অনেকেই বাড়ি ফেরেন না। ওঁরা যদি এতখানি আত্মত্যাগ করতে পারেন, তা হলে সামান্য একটা ক্রিকেট ম্যাচ ছেড়ে দিতে পারি না আমরা?”। প্রশ্ন তুলেছেন ভাজ্জি।
ভাজ্জির দাবি, “যত দিন না বড় সমস্যার সমাধান হচ্ছে, ততদিন ক্রিকেট খুবই ছোট একটি বিষয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের সরকারেরও এই সিদ্ধান্তই হওয়া উচিত। রক্ত এবং জল কখনও একসঙ্গে বইতে পারে না। সেটা সম্ভবও নয়। রোজই সীমান্তে লড়াই হচ্ছে। দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাতাবরণ রয়েছে। তার পরেও আমরা ক্রিকেট খেলতে যাব, এটা কখনওই হতে পারে না।”
