রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের বিতর্ক চলবে ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ইউনাইটেড নেশনসের সদর দফতরে সেপ্টেম্বর মাসকে ধরা হয় বছরের ‘সবচেয়ে ব্যস্ত কূটনৈতিক মরশুম’। তবে এ বছর ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ ও ইউক্রেন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তর্ক-বিতর্কে অন্য মাত্রা নিতে পারে।
এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে পারেন প্রধানমনন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সর্ব ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রকাশিত প্রাথমিক বক্তাদের তালিকায় নাম রয়েছে মোদীর। তিনি সম্ভবত সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। ওই দিন ইজরায়েল, চিন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সরকার প্রধানদেরও ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতেই মার্কিন মুলুকে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তিনি। বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে, দুই নেতা ২০২৫ সালের শীতের মধ্যেই দু-পক্ষের জন্যই লাভজনক বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। যদিও ট্রাম্প অনায্যভাবে ভারতীয় পণ্যে ৫০% শুল্ক চাপানোয় সেই বাণিজ্য চুক্তি এখন অন্য মাত্রা নিয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপর ইচ্ছেমত শুল্ক চাপানোর কারিগর ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও এবারের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা। জানা যাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২৩ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএর ঐতিহাসিক মঞ্চ থেকে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। হোয়াইট হাউসে তার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রথম ভাষণ।
এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা দিয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের দাবি. তাঁর দ্বিতীয় দফার প্রেসিডেন্সির প্রথম ৬ মাসে তিনি একাধিক যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে আর্মের্নিয়া-আজারবাইজান, কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড, ইসরায়েল-ইরান, রুয়ান্ডা-কঙ্গো, মিশর-ইথিওপিয়া এবং সার্বিয়া-কসোভোর মধ্যে শান্তিচুক্তি। তালিকায় রয়েছে পাহেলগাঁও কাণ্ডের জেরে ভারত-পাকিস্তানের সংঘাত। তাঁর হস্তক্ষেপেই দু-দেশ নাকি যুদ্ধবিরতিতে সামিল হয়েছে। ট্রাম্প এমন দাবি করলেও তা কিন্তু মানেনি দিল্লি।
