মধ্যরাত থেকেই দেশের ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস। মাতৃভাষা ও মতপ্রকাশের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ
এবারের স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্যকে অন্য মাত্রা দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। স্বাধীনতা ও সংবিধানের গুরুত্ব এই স্বাধীনতাকে অর্থহীন করেছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। আর যেহেতু দেশজুড়ে বর্তমানে বাংলা ও বাঙালির অস্তিত্ব নিয়ে একাধিক রাজ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে স্বাভাবিকভাবেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর স্বাধীনতার বার্তায় তারই প্রতিফলন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে রাজ্যবাসীকে ৭৯তম স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন
“এই স্বাধীনতা আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন বাংলার বিপ্লবীরা। তাঁরাই গিয়েছিলেন ফাঁসির মঞ্চে, আন্দামানের কারাগারে। আমাদের দুর্ভাগ্য, আজ সেই বাংলা আর বাঙালিকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্বেষের স্বীকার হতে হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, দেশভাগে কষ্ট পাওয়া বাংলার মানুষের ওপর আবার এখন নানান অছিলায় আক্রমণ নেমে আসছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে তাদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছে।”
অর্থ্যৎ একদিকে রাজ্যে রাজ্যে বাংলা ভাষার উপর আক্রমণ এবং অন্যদিকে ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনের জন্য এসআইআর-কে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুটি ক্ষেত্রেই স্বাধীন ভারতের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক আধিকার ও মর্যাদা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগঠিত করার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, ” এই আবহে এই স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। আসুন, আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেই সমস্ত শক্তির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি যারা আমাদের স্বাধীনতাকে খর্ব করতে চায়। প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।”
ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশমাতৃকাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন,
প্রতিবারের মত এবারেও মধ্যরাতে স্বাধীনতা পালন করে আমাদের পূর্বপুরুষ যাঁদের কঠিন সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এই স্বাধীন দেশের জন্ম দিয়েছিল তাঁদের স্মরণ করা আমাদের কর্তব্য।
